পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : এখন টোয়েন্টি-টোয়েন্টির যুগ। কে কত দ্রুত রান করতে পারবেন তার প্রতিযোগিতা চলে!তবে একটা সময় ছিল টেস্টে কেতাবি ভঙ্গিতে কে কত সময় উইকেট আঁকড়ে রেখে ধীরে সুস্থে রান তুলতে পারেন তার লড়াই। সীমিত ওভারের একদিনের ক্রিকেট আসতেই ছবি পাল্টে যায়। প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার হইচই ফেলে দিয়েছিলেন ১৯৭৫ সালের একদিনের বিশ্বকাপে। হইচই কি আর সাধে! ১৭৪ বল খেলে নট আউট ৩৬। তখন ৬০ ওভারের ম্যাচ হত বিশ্বকাপে। ৩৩৫ টার্গেট নিয়ে খেলতে নেমে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৩৬/৩। গাভাস্কার একা নয়,এরকম শামুক গতির ব্যাটিংয়ের অনেক নজির আছে যারা অনেক সময় ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠেছেন। টেল এন্ডার হিসেবে ব্যাট করতে নেমে সাতাত্তর বল খেলে রান করেছিলেন শূন্য। আশ্চর্যজনক ক্রিকেট খেলায় শূন্য রান করেও যে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়া যায় অ্যালটের ইনিংস তার প্রমান।টেস্টে পাকিস্তানি ওপেনার মুদাসসর নজর ৫৫৭ মিনিটে ৪১৯বল খেলে যে সেঞ্চুরি করেছিলেন তা এখনও টেস্ট ক্রিকেটের মন্থরতম সেঞ্চুরি।টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট খেলা দলগুলির মধ্যে বাংলাদেশের অলোক কাপালির মন্থরতম ইনিংসের রেকর্ড ভেঙেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০০৮ সালে মেলবোরনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২৭ বলে ৯ রান করেছিলেন ধোনি। ২৫ টির বেশি বল খেলা কোন প্লেয়ারের এটাই টি-টোয়েন্টিতে মন্থরতম ইনিংস ।।
ঘুমপাড়ানি ব্যাটিং রেকর্ড
Oplus_131072


More Stories
ভিনু মানকড় : ক্রিকেটের অবিস্মরণীয় নাম
স্বপ্না বর্মনের অবসর
জিতল লাল হলুদ,অভিষেকে ইউসেফের জোড়া গোল