Home » গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতে দিলীপকে কী পরামর্শ দিলেন লকেট?

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতে দিলীপকে কী পরামর্শ দিলেন লকেট?

সময় কলকাতা ডেস্ক: সোমবার বিধান নগরে বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পন করতে হাজির হন লকেট চট্টোপাধ্যায়।তিনি জানান, ২০১৭ সালে পুরভোটের প্রচারে তিনি দিলীপ ঘোষের বাইকে চড়ে দলের হয়ে প্রচার করে ছিলেন।তা নিয়ে পুলিশ স্বতঃস্ফুর্ত একটি মামলা কর ছিল।উত্তরাখন্ডের বিধানসভা ভোটের প্রচারের কারণে তিনি প্রায় ছয় মাস বাংলার বাইরে ছিলেন।তাই আদালতে হাজিরা দিতে পারেন নি।বিশেষ আদালত তার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে ছিল।সেই মামলায় আজ সাংসদ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন পান।

এদিন আদালত থেকে বেরোনোর পরেই নিজের ভঙ্গিমায় খড়গপুরের সাংসদকে মনে করিয়ে দেন দলের শৃঙ্খলা ও শিষ্ঠাচারের কথা।হুগলীর সাংসদ বলেন তিনিও দলে এক জন পদাধীকারি ও সাংসদ।তার উপর দীর্ঘ সময় উত্তরাখন্ডে বিধান সভা ভোট পরিচালনার মধ্যে দিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা বেড়েছে।তাই কোন কথা প্রকাশ্যে আর কোন কথা আন্দরে বলতে হয় তা তিনি বিলক্ষণ জানেন।হুগলীর সাংসদ এদিন বলেন, দিলীপ ঘোষ দলের প্রাক্তন সভাপতি।তিনি যদি কোন কথা তাঁকে বা দলকে বলতে চান তাহলে সেটি মিডিয়া সামনে না বলে দলের মধ্যে বলুন।একটু সুর চড়িয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন ভায়া মিডিয়া না করে দিলীপ দা দলের কথা দলের মধ্যেই বলুন।আমরা একটা পরিবারের মত।মতান্তর হতেই পারের তবে দলের অন্দরে তা নিয়ে আরো আলোচনা করাই যেতে পারে দাবি লকেটের।

এই দিন লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান, ইতিমধ্যে তাঁকে দলের আর এক প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়ও ফোন করেছিলেন।তিনি বলেন, তৃণমুল কংগ্রেসের মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি।দিদি আর ভাইপোর ইগো ক্ল্যাস প্রায়ই হচ্ছে।তাই দলের কথা সব সময়ে দলে মধ্যে বললে দলের ভাল হবে পরামর্শ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের।

মাধ্যমিক পরীক্ষায় টোকাটুকি আটকাতে ইন্টারনেট পরিসেবা নিয়ন্ত্রণ করছে রাজ্য সরকার ।এটা কোন সমাধান নয় বলে জানান হুগলির সাংসদ।তাঁর অভিযোগ ,প্রশাসন ও শিক্ষকদের উপর ভরসা হারিয়েছে। তাই  সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে মাধ্যমিক পরীক্ষা করাচ্ছে।৩০ মিনিট নেট বন্ধ থাকলে কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি হয়।আর পরীক্ষার সময় নেট বন্ধ মানে ডিজিটাল পরিসেবা থেকে বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ।

About Post Author