সময় কলকাতা ডেস্কঃ স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে আপেল সিডার ভিনিগার খুবই উপকারী একটি পানীয়।রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও আপেল সিডার ভিনিগার খুব ভালো কাজ করে।তবে এই ভিনিগার অম্ল হওয়ার কারণে তা খাদ্যতালিকায় যোগ করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে আপনাকে।
দিনে ১৫ মিলি বা একটি বড় চামচের এক চামচের বেশি আপেল সিডার ভিনিগার খাবেন না।অতিরিক্ত মাত্রায় আপেল সিডার ভিনিগার খেলে এর অম্ল গুণ শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে। এছাড়া যখনই এই ভিনিগার খাবেন,তা অবশ্যই উষ্ণ গরম জলের সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে খেতে হবে। তবে এই পানীয়তে অন্য কিছু মিশিয়ে খাবেন না।
আপেল সিডার ভিনিগার কখন খাওয়া ভালো ?
বদহজমের সমস্যা থাকলে এই আপেল সিডার ভিনিগার সকালেই খাওয়া যেতে পারে। সকালে এই পানীয় খেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর হবে।তবে সকালে খালি পেটে এই অম্ল পানীয় খেতে কোনো অসুবিধা হলে জলখাবারেরে পরেও খেতে পারেন।
ডায়াবেটিসের সমস্যায় এই ভিনিগার খুবই উপকারী।মূলত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারার কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ বারে।খাওয়াদাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস জলে এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।তবে অনিদ্রার সমস্যায় ভুগলে রাতের বেলা এটি খাবেন না।
ওজন ঝরার ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার আধ ঘণ্টা পরে এই ভিনিগার খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।আপেল সিডার ভিনিগার বিপাকের হার বাড়িয়ে দেয়।ফলে হজম ভালো হয়।এই ভিনিগার খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে খুব সাহায্য করে।দ্রুত শরীরের মেদ ঝরাতে এই ভিনিগার খুবই উপকারী।


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু