Home » বেআইনী গ্যাস সিলিন্ডার মজুত,গ্রেপ্তার ৮, পিছনে কোনো ডিস্ট্রিবিউটরদের মদত? তদন্তে পুলিশ

বেআইনী গ্যাস সিলিন্ডার মজুত,গ্রেপ্তার ৮, পিছনে কোনো ডিস্ট্রিবিউটরদের মদত? তদন্তে পুলিশ

সময় কলকাতা ডেস্ক: বেআইনী ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অভিযোগে ৮জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার পাত্রসায়র থানা এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি ভাবে বিভিন্ন গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখছিল অভিযুক্তরা। অভিযোগ পেয়েই গোপনে পাত্রসায়র এলাকায় অভিযানে নামে পুলিশ। ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ধৃতদের কাছ থেকে ৩৮০টি বেআইনি ভাবে মজুত রাখা গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করে পাত্রসায়র থানার পুলিশ। এছাড়াও ধৃতদের কাছ থেকে গ্যাস সরবরাহের বেশ কিছু কাগজ পত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ । তবে পুলিশের ধারনা এই ঘটনার পেছনে বড় কোনো ড্রিস্ট্রিবিউটারের হাত থাকতে পারে । কিভাবে এত ব্যাপক পরিমান গ্যাস মজুত করত কারবারিরা ? পাশাপাশি এর পিছনে কোনো ডিস্ট্রিবিউটরদের মদত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পত্রসায়র থানার পুলিশ।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে পাত্রসায়র থানা এলাকার পাঁচপাড়া, নারায়াণপুর বেলুট সহ বেশ কিছু গ্রামে গোপনে অবৈধ গ্যাসের কারবার চালাছিল অভিযুক্তরা। পুলিশের কাছে খবর এলে গোপনে এইসব অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিভিন্ন সিলিন্ডারে নতুন করে গ্যাস ভরবার পাশাপাশি অত্যন্ত চড়া দামে বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ ওঠে দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এমনকি আশেপাশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোনো অনুষ্ঠান বাড়ি কিংবা বিয়েবাড়িতেও অবৈধ ভাবে মোটা টাকার বিনিময়ে সিলিন্ডার সরবরাহ করত অভিযুক্তরা। অভিযুক্তদের কাছ থেকে ২৫০ টিরও বেশী গ্যাস সরবরাহের বই পাওয়া গেছে । এই বই গুলি দেখিয়েই অভিযুক্তরা হয়ত ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে গ্যাস সংগ্রহ করত বলে অনুমান তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদের। কিভাবে এত ব্যাপক পরিমান গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখত কারবারীরা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই সব নিয়েই তদন্তে নেমেছে পাত্রসায়র থানার পুলিশ।

About Post Author