জয়ন্ত দাস, সময় কলকাতা বীরভূম: বীরভূমে দলীয় কর্মসূচি চলাকালীন আঘাত পেলেন শুভেন্দু অধিকারী। পায়ে পুলিশের ব্যারিকেড পড়ে জখম হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বুধবার সিউড়িতে আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। ওই কর্মসূচিতে যোগ দেন শুভেন্দু। সিউড়ি সার্কিট হাউস থেকে মিছিল করে সিউড়ি জেলাশাসকের কার্যালযয়ে আসে বিজেপি নেতৃত্বরা। জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিজেপি কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে। পায়ে দু’টি ব্যারিকেড পড়ে যাওয়ায় চোট পান শুভেন্দু। তিনি বলেন কারা করেছে তা সবাই দেখেছ।

পায়ে আঘাত লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন বিজেপি-র কর্মী-সমর্থকেরা। নিয়ে যাওয়া হয় সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর পায়ের এক্স-রে করা হয়।পরে ব্যান্ডেজ করে ছেড়ে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতাকে। আঘাত নিয়েশুভেন্দু বলেন, ‘‘পুলিশের দু’টি ব্যারিকেড পায়ে পড়ে গিয়ে চোট লেগেছে। তবে পা ভাঙেনি। সামান্য ক্র্যাক হয়েছে। আমি কারও উপর দোষ চাপাবো না। কী ঘটেছে, তা সকলেই দেখেছেন। এ ভাবে আমাকে আটকানো যাবে না।’’ তিনি আরও বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল দলীয় বিধায়কদের নিয়ে ডেউচা-পাঁচামিতেও যাওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে বিজেপি-র।

এদিকে আঘাত পাওয়ার পরেও এদিন বক্তব্য রাখেন তিনি। বুধবার কর্মসূচিতে শুভেন্দু অধিকারী নাম না করে অনুব্রত মণ্ডলকে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “কে বলেছিল পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ কর! সেই মাতব্বর এখন উববার্নে ভর্তি। বীরভূমের মাটি থেকেই স্বৈরাচারী শাসনের উৎখাত শুরু হবে। বীরভূমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব। মানুষ নিজের মর্জি মোতাবেক কাজ করবেন। তাঁদের দিয়ে কোনও কাজ জোর করানো হবে না।

শুভেন্দু অধিকারীর চিকিৎসক দেবেশ শর্মা বলেন, “এক্স রে-তে কোনও কোনও চোটের বিষয় সামনে আসেনি। ব্যথা রয়েছে। কয়েকদিন ওঁকে ব্যথার ওষুধ খেতে হবে। ব্যান্ডেজও লাগানো থাকবে। রেস্ট নিলেই কমে যাবে ব্যথা।”

উল্লেখ্য, রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করছে গেরুয়া শিবির। সিউড়িতেও একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানেই পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে জখম হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?