Home » মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব স্কুলের মিডডে মিলে

মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব স্কুলের মিডডে মিলে

সময় কলকাতা ডেস্ক : মূল্যবৃদ্ধির জেরে নাজেহাল বঙ্গবাসী । এতদিন সেই প্রভাব হেঁসেলে পড়লেও এবার তা সরাসরি পড়তে শুরু করেছে স্কুলের মিডডে মিলে। যার জেরে হিমশিম খেতে হচ্ছে জেলার স্কুলগুলিকে। অগ্নিমূল্য বাজার দর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মিডডে মিল প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া যে এক প্রকার দু:সাধ্য তা স্বীকার করে নিলেন কেষ্টপুর হাই স্কুল প্রধান শিক্ষক সৌমেন কোনার। তাই অবিলম্বে মিডডে মিলে বরাদ্দ বারানোর দাবি করছেন তিনি।

বর্তমানে সরকারিভাবে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির একজন পড়ুয়া পিছু মিডডে মিলে বরাদ্দ রয়েছে ৪ টাকা ৯৭ পয়সা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির একজন পড়ুয়া পিছু বরাদ্দ রয়েছে ৭টাকা ৪৫ পয়সা। বাজারে আলু এখন প্রতি কেজি ২০ থেকে ২২ টাকা, সরষের তেল ২২০ টাকা, কুমড়োর প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা, এমনকি মুসুরির ডাল প্রতি কেজি ১২০ টাকা, এছাড়া কমবেশি সব সবজির দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে।  সেখানে ছাত্রদের কিভাবে ওই টাকায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াবে স্কুল কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে শিক্ষকদের অন্দরে । ফলে মিডডে মিল প্রক্রিয়ায় এক প্রকার কাটছাট করেই চালাতে হচ্ছে বলে জানান কেষ্টপুর হাই স্কুল প্রধান শিক্ষক সৌমেন কোনার।

মিডডে মিলের দ্বায়িত্বে থাকা পূর্ব বর্ধমান জেলার নোডাল অফিসার মৌলি স্যানাল জানান , ‘বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষকরা যে সরব হয়েছেন তা স্বীকার করে নেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের মিডডে মিল বাবাদ বরাদ্দকৃত অর্থকেই দায়ী করছেন  । উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে এব্যাপারে জানানো হয়েছে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান তিনি।

About Post Author