সময় কলকাতা ডেস্কঃ এবার সরকারি সম্পত্তির ওপর কি প্রমোটিং-এর থাবা। বারাসাতের কে কে মিত্র রোডে, পরিত্যক্ত যে বাড়িটির মধ্যে সুড়ঙ্গের সন্ধান মিলেছে, সেই বাড়িটি কত বছরের পুরনো তা ঠিক করে এলাকার মানুষ বলতে পারবেন না। যাদেরকেই আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তারাই বলছেন আমরা জন্ম থেকে দেখছি। সুতরাং এই বাড়িটির আসল বয়স কত তা সঠিকভাবে কেউই বলতে পারছেন না। অদ্ভুতভাবে প্রশাসন ও পৌরসভার নাকের ডগায় কিভাবে এই বাড়িটি দখল করে, ভাঙার কাজ শুরু হলো এবং বেশ কিছুটা ভেঙে ফেলা হলো, সেটা কিন্তু শহরবাসীর কাছে একটা বড় প্রশ্ন? এই ভাঙার খবর যখন কোর্টে পৌঁছয়, কোর্টের নির্দেশে তৎক্ষণাৎ ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয়। জানানো হয় পুলিশ প্রশাসনকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়। কিন্তু কিভাবে এই প্রাচীন বাড়িটিকে ভাঙতে সাহস পেল এই প্রোমোটারের দল? সেটাই বারাসাত বাসীর কাছে সবথেকে বড় প্রশ্ন?
কলকাতা শহর ছেড়ে এখন মফস্বলেও থাবা বসিয়েছে এই প্রোমোটার চক্র। সুতরাং বারাসাত জেলা শহরে থাবা বসাবে না, এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু তাই বলে সরকারি সম্পত্তির উপর। তাহলে যারা সাধারণ মানুষ তাদের বাড়ি বা জমি কতটা নিরাপদ বা সুরক্ষিত এমনটাই মনে করছেন অনেকে।
স্থানীয় দোকানদার, যা জানালেন তা আরো আশ্চর্যের ।হঠাৎ করেই কেউ বা কারা একদিন এই বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে, এবং মিস্ত্রি লাগিয়ে বাড়িটি ভাঙতে থাকে। পরবর্তী সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যদিও বাড়ি ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু সামনের যে মূল ফটক, সেটা কিন্তু যারা বাড়ি ভাঙ ছিল তাদের তরফ থেকেই বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয় ।এদের কাছে কতটা বৈধ কাগজপত্র আছে, বা কাদের থেকে এরা বাড়ি ভাঙার অনুমতি পেল, সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন। উত্তরের আশায় বারাসাতের মানুষ। বারাসাত পৌরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় কে ফোন করা হলে, তিনি জানান যে বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনও পর্যন্ত কিছুই জানেন না। তিনি অফিসারকে পাঠাবেন ঘটনাস্থলে। তারপর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবেন। কিন্তু প্রশাসনের নাকের ডগায়, ইতিহাসের সাক্ষী কে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চক্রান্তে বারাসাতের মানুষ অনেকটাই হতাশ।


More Stories
শিলিগুড়ির বিশ্ববাংলা লোগো ভাঙা পড়ল
শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সঙ্গে বিদেশ -বীনা, কী বললেন সাংসদ ?
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন