Home » সেফটি বেল্ট ছাড়াই নাগরদোলা বসানোর সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত ৪ শ্রমিক!

সেফটি বেল্ট ছাড়াই নাগরদোলা বসানোর সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত ৪ শ্রমিক!

সময় কলকাতা ডেস্কঃমেলার জন্য নাগরদোলা বসানোর সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।নাগরদোলার কাজ করার সময় প্রায় সত্তর ফুট উপর থেকে পড়ে যান চারজন শ্রমিক।আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।হাওড়ার রামরাজাতলা শংকর মঠ সংলগ্ন মাঠের ঘটনা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ হাওড়ার শংকর মঠ সংলগ্ন মাঠে মেলার জন্য একটি নাগরদোলনা বসানোর কাজ চলছিল।সেই সময়ই নাগরদোলনার কাঠামোর আংটা সোজা হয়ে বেরিয়ে যায়।অভিযোগ,কোনরকম সেফটি বেল্ট ছাড়াই শ্রমিকরা নাগরদোলার উপরে কাজ করছিল।আর তাতেই এই বিপত্তি ঘটে।দোলনার উপরে যে দুজন শ্রমিক কাজ করছিল তারা সঙ্গে সঙ্গে নাগরদোলার উপর থেকে মাটিতে পড়ে যায়।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে।স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে জগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।এরপর স্থানীয়রা তড়িঘড়ি আহত ওই চারজন যুবককে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে নিয়ে গেলে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকি একজন শ্রমিককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রাখা হয়।

যদিও এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,মঠের মহারাজ অর্থ রোজগারের জন্য এই মেলা করতে অনুমতি দিয়েছেন।কিন্তু মঠের ভেতরের মাঠে নোটিশ টাঙানো রয়েছে সাইকেল বাইক ঢোকা নিষিদ্ধ।তবে মেলার জন্য বড় বড় গাড়ি ঢুকলে তাতে কোনো বাধা নিষেধ নেই।পাশাপাশি এই ভেঙে পড়া নাগরদোলার অংশ এলাকার কোন বাচ্চার উপর পড়লে চরম ক্ষতি হতে পারতো বলেই জানান তারা।

 

 

অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঠিকাদার গোষ্ঠী ঘটনার পরেই পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।এমনকি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও করা হয়।ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেছে জগাছা থানার পুলিশ।পাশাপাশি এদিনের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকেই কাজ বন্ধ করে দেন মেলার বাকি শ্রমিকরা।

About Post Author