সময় কলকাতা ডেস্কঃ গত শুক্রবার জেলার মাটিতে দাঁড়িয়ে মূখ্যমন্ত্রী ঘোষনা করে গিয়েছিলেন হিন্দমোটর কারখানার জমিতে নতুন করে শিল্পায়ন হবে৷ এবার সেই হিন্দমোটর কারখানা থেকেই নয়নজুলি পরিস্কার করার নামে মাটি কেটে বেআইনিভাবে ইঁটখোলা বিক্রির অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন উত্তরপাড়া পুরসভার উপ পুরপ্রধান বিজেপি নেতা পঙ্কজ রায় ও হিন্দমোটর ওয়াকার্স ইউনিয়ন নেতা মনীন্দ্র চক্রবর্তী।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা পঙ্কজ রায় বিএলআরও এবং এসডিও-র কাছে একটি ইমেইল-এর মারফত অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তারই দলের সমর্থকেরা কীভাবে এমন কাজ চালাচ্ছেন তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
এ বিষয়ে উত্তরপাড়া পুরসভার উপ পুরপ্রধান জানান, ‘বেআইনি ভাবে মাটি ইঁটভাটায় বিক্রি হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই ৷ তবে টিএন মুখার্জী রোডে বিছিন্ন ভাবে মাটি পরে আছে। সেটা আমার চোখেও পরেছে৷ বেআইনি ভাবে যদি মাটি বিক্রি হয়, তাহলে অবশ্যই তা পুলিশকে জানাবো এবং অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবী করবো৷’
হিন্দমোটর ওয়াকার্স ইউনিয়নের নেতা মনীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন,‘নিকাশি নালা পরিস্কারের নামে মাটি তুলে বিক্রি করা হচ্ছে, হাইরাইস বিল্ডিং হচ্ছে, ভেড়ি কেটে মাটি বিক্রি হচ্ছে৷ হাইকোর্টের অর্ডার অনুযায়ী কারখানার স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে৷ কিন্তু শাসক দল তা অমান্য করেই সবকিছু লুটেপুটে খাওয়ার কাজ চালাচ্ছে।’

অন্যদিকে বিজেপি নেতা পঙ্কজ রায় বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ দিন ধরে রোজ আমরা দেখছি চারটি ডাম্পার ৫০ থেকে ৬০ গাড়ি মাটি নিয়ে যাচ্ছে৷ এত মাটি নয়ানজুলিতে আসছে কোথা থেকে? কাউন্সিলার এবং উপ পুরপ্রধানের কথার কোনো মিল নেই। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন মাটি,গাছ কাটা বেআইনি৷ তাহলে কি ভাবে এই কাজ চলছে? আইনি হলে অনুমতি পত্র দেখাক৷ আর যদি বেআইনি হয় তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী