সময় কলকাতা ডেস্কঃ কাঁকসার জঙ্গলমহলের বাসিন্দা লক্ষ্মী কিস্কু৷ নাম লক্ষ্মী থাকলেও তার কপালেই জোটেনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা। একাধিকবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি কোনোরকম সুরাহা। এই মূল্যবৃদ্ধির বাজারে অভাবের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছেন পশ্চিম বর্ধমানের মলানদীঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের আলীনগরের বছর ৫৭-র লক্ষ্মী।

২০২১এর বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ২৫ বছরের উর্ধ্বে বাংলার মেয়েদের আর্থিক দিক থেকে কিছুটা সাহায্য করতেই এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন তিনি৷ এই প্রকল্পে তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য ১ হাজার টাকা এবং সাধারণের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রতিমাসে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেয় রাজ্য সরকার৷ কিন্তু, কাঁকসার মলানদীঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের আলিনগরের বাসিন্দা লক্ষ্মী কিস্কু এক বছরে একাধিকবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের জন্য আবেদনও করেছেন৷ এমনকি দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর মিলেছে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণের নথিও৷ কিন্তু, তার পরেও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি বলে অভিযোগ তাঁর৷

যদিও, অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন মলানদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পীয়ূষ মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, ‘কিছু সমস্যার রয়েছে আমাদের আছে। যত দ্রুত সম্ভব তা সমাধান করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।‘
পাশাপাশি, শারীরিক দিক থেকে ভেঙে পড়েছেন লক্ষ্মীদেবী। আর্জি একটু সরকারি সাহায্যের। এখন সেই সাহায্যের দিকেই তাকিয়ে লক্ষ্মী কিস্কু।


More Stories
মেজবাবুকে চড় মেরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি : রেখা পাত্র
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের
খাদ্য সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘন – বারাসাতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে হানা ফুড সেফটি বিভাগের