সময় কলকাতা ডেস্কঃ অগ্নিপথ নিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভ বা নুপুর শর্মাকে নিয়ে বা অন্য যা কিছু নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছে, এর পেছনে একটা চক্রান্ত চলছে। দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মোদিজীর বিরোধিতা করার কোনো সুযোগ নেই তাই বারবার বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিকে টার্গেট করা হচ্ছে। শুক্রবার মিজোরামের আইজলে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন,”যে প্রজেক্ট আনা হয়েছে তা ঐতিহাসিক ব্যাপার। যে-যুবক রাস্তায় নেমেছেন তারা পুরো ব্যাপারটা বোঝেন নি কিংবা না বুঝে তাদেরকে উত্তেজিত করা হচ্ছে। তাই তারা না বুঝে আগুন জালানো ইত্যাদি করছেন। যখন তারা বুঝতে পারবেন তখন উঠে যাবেন। সেনার চাকরি বন্ধও হচ্ছে না, সেনা উঠে যাচ্ছে না। যারা চাকরি পাবেন তাদের চাকরী স্থায়ী হবে। এছাড়া লক্ষ লক্ষ যুবক নতুন করে চাকরি পাবেন। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য সব ধরনের ট্রেনিং পাবেন। ২৪ বছর বয়সে লোকেরা চাকরি খুঁজতে যায়। আর তখন তারা ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার মালিক হয়ে নতুন করে কাজ শুরু করবেন। এই প্রোজেক্টের ব্যাপারটা যুবকদের বোঝালে তারা বুঝতে পারবেন তখন সেনার চাকরির সংখ্যাও অনেকটাই বেড়ে যাবে।
পাশাপাশি শুক্রবার এই অগ্নিপথ নিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মাঝেই ঠাকুর নগরে শান্তনু ঠাকুরের বাড়ি সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় স্থানীয় যুবকরা। সেই প্রসঙ্গে তিনি গুরতর অভিযোগ আনেন, বলেন, ‘আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। আমাদের সাংসদ মন্ত্রী-নেতাদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে ব্যতিব্যস্ত করার জন্য। এতে কোনো লাভ হবে। যে যুবকরা এটা করছে তারা ঠাণ্ডা মাথায় ভাবুন আপনাদের সুবিধার্থে এই প্রজেক্ট করা হচ্ছে। গত দু’বছর করোনার জন্য রিক্রুটমেন্ট করা হয়নি বলে বয়স সীমা আরো দু’বছর বাড়িয়ে দেওয়া হল। এটা মোদি করেছেন সেই জন্য এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব আছে। যারা এই ধরনের বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাদের একটু চিন্তা-ভাবনা করা উচিত।


More Stories
দিল্লি গেলেন অভিষেক
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের
শান্তি নেই শ্মশানেও -বঙ্গভূমির করুণ আখ্যান