Home » অগ্নিপথ বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ! 

অগ্নিপথ বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ! 

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্নিপথ পরিকল্পনার বিরোধিতার আগুন ক্রমাগত ছড়াচ্ছে দেশের সর্বত্র। মারপিট, ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে একের পর এক ট্রেনে। মৃত্যুর তাণ্ডবের সাক্ষী থাকছে গোটা দেশ। জ্বলছে একাধিক রাজ্য। শুক্রবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১২টি ট্রেনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মোট ৩১৬টি ট্রেন। মূলত, বিহার, ঝাড়খন্ড, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখন্ড, দিল্লি, তেলেঙ্গানা, বাংলা, হরিয়ানা, পঞ্জাবে অগ্নিপথ বিক্ষোভের আঁচ পড়েছে বেশি। বিক্ষোভের জেরে বাতিল প্রায় দুশোরও বেশি ট্রেন। বাতিল ট্রেনের মধ্যে রয়েছে হাওড়া-নিউ দিল্লি দুরন্ত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বালিয়া এক্সপ্রেস, হাওড়া-পাটনা জনশতাব্দী এক্সপ্রেস, হাওড়া-দেরাদুন উপাসনা এক্সপ্রেস, কলকাতা-গোরখপুর এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন এক্সপ্রেস। যাত্রাপথ বদলে দেওয়া হয়েছে প্রায় ১১ টি এক্সপ্রেসের।

এমনকী বিক্ষোভের আঁচ পড়েছে বাংলাতেও। শুক্রবার হাওড়ার গুলমোহর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল হাওড়া ব্রিজের কাছে এলে পুলিশ তাদের পথ আটকায়। এরপরই রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। সেনা বাহিনীতে কাজ করার সুবিধা তুলে দেওয়ার অভিযোগ করে বিক্ষোভকারীরা এদিন মিছিল করে। তাদের অভিযোগ কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপে সেনা বাহিনীতে পেনশন ও কাজ করার সময় সীমা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে ভারতীয় রেল। যদিও, ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এত বিক্ষোভ, অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে লাভবান হবেন তরুণ প্রজন্ম, জানিয়েছেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার।

বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও প্রায় সারাদিন কেন্দ্রের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে উত্তাল বিহার। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলা থেকেই এসেছে সরকারি সম্পত্তি নষ্টের খবর। বিশেষ করে, রাজ্যের প্রতিটি স্টেশন কার্যত তছনচ করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। শুধুমাত্র বিহারেই এদিন পাঁচটি ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিহারের ১২টি জেলায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। হরিয়ানার একটি জেলায় ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেটের পাশাপাশি এসএমএস পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

About Post Author