Home » কচুয়াধামে বিপন্ন বাস্তুতন্ত্র

কচুয়াধামে বিপন্ন বাস্তুতন্ত্র

সময় কলকাতা ডেস্কঃ জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম কচুয়া লোকনাথ মন্দির এলাকা জুড়ে। একের পর এক পুকুর ভরাটের অভিযোগ স্থানীয়দের। শাসক দলের ভয়ে তটস্থ এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, মন্দির চত্বরে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও তাদের সামনেই চলছে জলাশয় ভরাটের কাজ।

উত্তর ২৪ পরগনায় লোকনাথ তীর্থক্ষেত্র কচুয়া ধামকে রাজ্য সরকার হেরিটেজ ঘোষনা করেছে। আরও আকর্ষন বেড়েছে এই তীর্থক্ষেত্রের। আর তাতেই জমির চাহিদা বেড়েছে। মন্দিরের আশেপাশে থাকা জলাশয়গুলির দিকে নজর পড়ছে জমি মাফিয়াদের। এই তীর্থক্ষেত্রের গায়ে থাকা কয়েকটি জলাশয় ভরাট হচ্ছে জোর কদমে অভিযোগ স্থানীয়দের।তাঁদের দাবি, কচুয়া মন্দিরের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে একটি পুলিশ ফাঁড়ি। সেখানে চব্বিশ ঘন্টার জন্য রয়েছে পুলিশ প্রহরা। ঠিক তার ১০ ফুট দূরে চলছে পুকুর ভরাট। এই কথা পুলিশও স্বীকার করে নিয়েছে। বরং ফাঁড়ির কর্মরত পুলিশের দাবি পুকুর ভরাট আটকানোর দায়িত্ব পঞ্চায়েতের। ছোটবেলা থেকে যাকে জলাশয় বলে তারা জানেন সেটাই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, মন্দির কমিটির প্রভাবশালী এক সদস্য জমি কিনে ভরাট শুরু করছে।সঙ্গে রয়েছে শাসক দল। তাই ভয়ে পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে কোন কথাই তার বলতে পারছেন না তারা।

কচুয়া লোকনাথ মন্দির কমিটির আশে পাশে পুকুর ভরাট নিয়ে মন্দির কমিটির সদস্যদের বক্তব্য হল পুকুর নয় ভরাট হচ্ছে ডোবা। বসিরহাট ২ নং ব্লকের বিএলআরও জানান, অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তিনি নেবেন। রাজ্য সরকার কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে কচুয়ায় লোকনাথ মন্দিরের উন্নয়ন করছে। সেখানে একের পর এক পুকুর ভরাটের ঘটনায় হেরিটেজের তকমা পাওয়া মন্দির এলাকার বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন হয়ে পড়ছে আশাঙ্কা স্থানীয়দের।

About Post Author