সময় কলকাতা : রবীন্দ্রনাথ নাকি মহাভারতে কৃষ্ণ-দ্রৌপদী কার মাধ্যমে প্রথম রাখি বন্ধনের উৎসব শুরু হয়েছিল তা নিয়ে চর্চার চেয়েও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে রাখি বন্ধনের দিনের টুকরো কোলাজ। রাখিবন্ধন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে মৈত্রীর বন্ধনের বার্তা যখন সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরায় রয়েছেন যে রক্ষীরা তাঁদের হাতে এদিন রাখি পরিয়ে দেয় বোনেরা। রাখিবন্ধন মৈত্রীর বার্তা নিয়ে আনে যখন অহর্নিশ কাজের ফাঁকে থাকা সাংবাদিকদের হাতে রাখি পরিয়ে দেয় বোনেরা। রঙিন সুতো বা রাখি হয়ে ওঠে প্রতীক মাত্র। তাই মৈত্রীর বন্ধনে বাঁধা পড়ার অঙ্গীকার বয়ে নিয়ে আসে রাখি বন্ধনের দিন। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এদিন মানুষ জড়িয়ে পড়ে মৈত্রীর বন্ধনে।

রাজনৈতিক ভেদাভেদের উর্দ্ধে রাখি বন্ধন।যদিও রাজনৈতিক নেতারা তারমধ্যেও কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য রাখেন তবুও মৈত্রীর বার্তা বয়ে নিয়ে চলে দিনটি।পেট্রাপোল সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবি জওয়ানদের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতির গান করেন বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার।

হৃদয়ের টানে সাংবাদিকরা দিনটি পালনে দূরে সরে থাকতে পারেন না এদিন। বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা কাজের ফাঁকে মৈত্রীর উৎসবে মাতলেন।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের পাশাপাশি “সময় কলকাতা’ সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও রাখিবন্ধনের দিনটি কাজের ফাঁকে নিজেদের কার্যালয়ে পালন করলেন।

নাগরিক ব্যস্ততার ফাঁকে, মানুষের কাছে খবর সরবরাহ করার মাঝে হৃদয়ের টানে সাড়া দিয়ে বারাসাত কে এন সি রোডে ডিস্ট্রিক্ট প্রেসক্লাব এর উদ্যোগেও রাখি বন্ধন পালিত হয়। এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গভঙ্গ ও রাখি উৎসবের প্রসঙ্গ উঠে আসে। রাজ্যকে অখণ্ড রাখার প্রচেষ্টা মুখ্যমন্ত্রী করে চলেছেন যা আজও রাখির দিনে প্রাসঙ্গিক তা তিনি মনে করিয়ে দেন।


More Stories
“মাথা উঁচু করে রাজনীতি “- মুখ্যমন্ত্রী সকাশে মমতাপন্থী বিধায়করা
হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার রায়
সোনার ডিম পাড়ছেন সব্যসাচী!