Home » ভাসুরের যৌনাঙ্গ কাটার পরে চারজনকে খুন- কেন এত নৃশংস পল্লবী?

ভাসুরের যৌনাঙ্গ কাটার পরে চারজনকে খুন- কেন এত নৃশংস পল্লবী?

সময় কলকাতা ডেস্ক : তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাওড়ার হাড়হিমকরা খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পল্লবী ঘোষকে। প্রশ্ন উঠছে,কী এমন প্রেক্ষাপট যা পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্রে খুন করতে বাধ্য করায় তিরিশ বছরের গৃহবধূ পল্লবীকে?প্রায় এক দশক ধরে  পরিবারের যাদের সঙ্গে ওঠাবসা তাঁদের প্রত্যেককে খুন করার মানসিক গঠন তাঁর তৈরি হল কী করে? কেন এত নৃশংস হয়ে উঠলেন তিনি ? কী সেই ক্ষোভ যার জেরে ভাসুরের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলেন পল্লবী?

স্বামীর আয়হীনতায় শ্বশুর বাড়িতে গঞ্জনা তো ছিলই, পাশাপাশি যোগ হয়েছিল পারিবারিক অত্যাচার। ” ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের ” শিকার ছিলেন পল্লবী।তিনি পুলিশ আধিকারিকদের জানিয়েছেন,দুবছর আগে ভাসুরের যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন পল্লবী।গঞ্জনা ও ঘরোয়া নিগ্রহ ফলে ক্ষোভ বাড়ছিলই। আর তারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে একসাথে পরিবারের চারজনকে খুন করেন পল্লবী এবং ভাসুরের যৌনাঙ্গে কোপ মেরে ক্ষোভের নিরসন করার চেষ্টা করেন তিনি।এই ক্ষোভ ধীরে ধীরে বাড়ছিল বলেই তদন্তকারী অফিসারদের জানিয়েছেন পল্লবী।

পল্লবী ঘটনার পরেই জানিয়েছিলেন, রাগের ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। রাগের সময় স্বামীকে খুন করতেও পিছপা হবেন না জানিয়েছিলেন তিনি। তবে স্বামী হাওড়া হত্যাকান্ডের সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন। স্ত্রীকে নিরস্ত্র না করতে পেরেই তিনি চম্পট দেন।

হত্যার পরে পুলিশের কাছেই পল্লবী জানতে চেয়েছিলেন সবাই মারা গিয়েছে কিনা।সরাসরি চারজনকে খুনের স্বীকারোক্তি দেওয়া ছাড়াও তিনি ধীরে ধীরে হাওড়া সিটি ও হাওড়া জেলার পুলিশদের জানান তাঁর ক্ষোভের কারণ।তখনই জানা যায় তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয়ে গঞ্জনা ও পারিবারিক অত্যাচার পল্লবীর মানসিক ক্ষোভ তীব্র করে তুলেছিল এবং কার্যত তাঁর মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছে যায়। আরও নতুন তথ্যের আশা করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।।

About Post Author