Home » শ্রীরামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবসে কয়েকটি অমৃতবাণী যা বদলে দেবে জীবনদর্শন

শ্রীরামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবসে কয়েকটি অমৃতবাণী যা বদলে দেবে জীবনদর্শন

সময় কলকাতা ডেস্কঃ কথিত আছে, মৃত্যুর পূর্বে বিবেকানন্দকে শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, “আজ তোকে যথাসর্বস্ব দিয়ে ফকির হয়েছি। এই শক্তির সাহায্যে তুই জগতের অশেষ কল্যাণ করতে পারবি। কাজ শেষ হলে আবার স্বস্থানে ফিরে যাবি।” তার শেষের দিনগুলিতে তিনি বিবেকানন্দকে ত্যাগী শিষ্যদের দেখাশোনার ভার অর্পণ করে যান।

রবিবার ১৫ অগস্ট ১৮৮৬, কাশীপুরে শ্রাবণের শেষ দিনে ঠাকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ভাতের পায়েস খেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন । কিন্তু ওই দিনেই ঠাকুরের সেই বিখ্যাত উক্তি—‘‘ভিতরে এত ক্ষিধে যে হাঁড়ি হাঁড়ি খিচুড়ি খাই, কিন্তু মহামায়া কিছুই খেতে দিচ্ছেন না।’’ শেষের সেই দিনে রাত ন’টা, হঠাৎ ঠাকুরের সমাধি। নরেন সবাইকে ‘হরি ওঁ তৎসৎ’ কীর্তন করতে বললেন। সমাধি ভঙ্গ হল রাত প্রায় এগারোটায়। ১৬ অগস্ট সকালবেলায় ডা. মহেন্দ্রলাল সরকারের কাশীপুরে আবির্ভাব। অভেদানন্দের বর্ণনা অনুযায়ী, ডা. সরকার ‘‘বেলা দশ ঘটিকায় এসে নাড়ি দেখে বলেন, ঠাকুরের প্রাণবায়ু নির্গত হয়েছে।’’

• জীবনপথে সঠিক দিশায় চালিত হওয়ার জন্য শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃতের সাহায্য আমাদের প্রতি মুহূর্তে দরকার। যেখানে ঠাকুর লিখেছেন, “সত্যি কথা বলার সময় খুবই নম্র এবং একাগ্র হওয়া উচিত কারণ সত্যের মাধ্যমে ভগবানকে অনুভব করা যেতে পারে”

• “সংসারে চারিদিকে যাত্রা করে ফেলুন কিন্তু তাতেও আপনি কোথাও কোনো কিছুই পাবেননা | যেটা আপনি প্রাপ্ত করতে চান, সেটা তো আপনার মধ্যেই সর্বদা বিরাজমান”

• “দুনিয়া বাস্তবে সত্য ও বিশ্বাসের একটি মিশ্রণ, বিশ্বাস তৈরী করে এমন জিনিসকে ত্যাগ করুন এবং সত্যকে গ্রহণ করুন”।

• “শুদ্ধ জ্ঞান এবং শুদ্ধ প্রেম একই জিনিস। জ্ঞান আর প্রেমের মাধ্যমেই লক্ষ্যকে পূরণ করা যেতে পারে, আর এখানে প্রেম নামক রাস্তাটি বেশি সহজ” ।

• যদি আপনি বাইরে দেখে চলেন, তাহলে আপনি কিছুই জানবেন না আপনি কোথায় । নিজের ভিতরে দেখুন।

 

About Post Author