সময় কলকাতা ডেস্কঃ নিয়ম ভেঙে নিয়োগ করা সম্ভব নয়, মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি দাবি করেন, “১৬ হাজার ১০১ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেট উত্তীর্ণ রয়েছেন। আন্দোলনকারীরা দু’বার ইন্টারভিউ দিয়েও প্যানেলভুক্ত হননি। তাঁদের নিয়োগ দিতে হবে ২০১৬ সালের আইন অমান্য করতে হবে। পর্ষদ নিয়ম ভাঙবে না।২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগের দাবি আইনসম্মত নয়।”
একইসঙ্গে আন্দোলনকারীদের চলতি বছরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অনুরোধ জানান প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। সেই সঙ্গে এই আন্দোলনে রাজনৈতিক মদতপুষ্ট, কোনও কোনও রাজনৈতিক নেতা এই আন্দোলনকে উসকে দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নন-ইনক্লুটেড চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, দুবার ইন্টারভিউ দিয়েও নিয়োগপত্র পাননি তারা। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁরা অংশ নেবেন না। তাঁদের সরাসরি নিয়োগ দিতে হবে। এই দাবিতে সোমবার আন্দোলনকারীদের চার প্রতিনিধি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি জমা করেন। কিন্তু সেই দাবি মানা হবে না বলে এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গৌতম পাল।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। ইতিমধ্যেই এই গ্রেপ্তার হয়েছেন পার্থ-মানিক-সুবীরেশ-কল্যাণময়রা। চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে জেরবার রাজ্য সরকার।মঙ্গলবারও সকালেও জারি বিক্ষোভ। রাতভর সল্টলেকে এপিসি ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের পর আমরণ অনশন শুরু করলেন চাকরিপ্রার্থীরা। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকজন। ১০ জনকে ভর্তি করতে হয়েছে হাসপাতালে। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, অবস্থান না তুললে বলপ্রয়োগ করা হবে। তবুও বদলায়নি পরিস্থিতি।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি