Home » ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কতটা এগিয়ে ঋষি সুনক?

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কতটা এগিয়ে ঋষি সুনক?

সময় কলকাতা ডেস্ক: শিল্পে অস্থিরতা এবং বাণিজ্যিক মন্দার মাঝেই যুক্তরাজ্য ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন লিজ ট্রাস। কনজারভেটিভ পার্টির আভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক-কে পরাজিত করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরী হিসেবে যুক্তরাজ্য ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। কিন্তু ৪৫ দিনের মাথায় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন লিজ ট্রাস। এখন একটাই প্রশ্ন কে হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

ফের যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। লিজ ট্রাসের পদত্যাগ সুনকের জন্য একটা দারুণ সুযোগ। তবে কনজারভেটিভ পার্টির আরও অনেকেই এগিয়ে রয়েছেন এই দৌড়ে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছে ৭ জনের নাম। প্রথমেই নাম রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকের। তারপর রয়েছেন পেনি মর্ডান্ট, প্রতিরক্ষা সচিব বেন ওয়ালেস, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচিব কেমি ব্যাডেনোচ, সেক্রেটারি অফ স্টেট জেমস ক্লিভারলি এবং সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান। কিন্তু তিনজনের বেশি প্রার্থীর পক্ষে দাঁড়ানো কঠিন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মোট ৩৫৭ জন টোরি এমপি (কনজারভেটিভ পার্টির এমপি) রয়েছেন। ব্যালট পাওয়ার জন্য একজন প্রার্থীর প্রায় ১০০ জন টোরি আইন প্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন। এভাবে প্রার্থীর সংখ্যা তিনের বেশি হতে পারবে না।

ট্রাসের পদত্যাগের পর স্বাভাবিকভাবে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হতে আর কোনও বাধা নেই প্রাক্তন চ্যান্সেলরের, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ভারতীয় কোম্পানি ইনফোসিস এর সহ প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির জামাই ঋষি সুনক। তিনি ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীও ছিলেন। তার স্ত্রী, যিনি ব্রিটেনের নাগরিক, তিনি ইনফোসিস কোম্পানিতে যোগদান করায় ব্রিটেন জুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। কিছুটা হলেও তখন ধাক্কা খেয়েছিলেন ঋষি সুনক। বরিস জনসনের পদত্যাগের পর, কনজারভেটিভ পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রীর দৌঁড়ে দ্বিতীয় হন ঋষি সুনাক। এখন লিজ ট্রাসের পদত্যাগের পরে আবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেই দিকেই নজর সকলের।

About Post Author