সময় কলকাতা ডেস্কঃ গরু পাচার মামলায় সায়গলকে জারি জিজ্ঞাসাবাদ। শনিবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত সায়গলের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সূত্রের খবর, মূলত পাচারের টাকা কোন পথে কোথায় যেত তা নিয়ে জানতেই সায়গল হোসেনকে ইডি জেরা করতে চায় বলে খবর। সায়গল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ছাড়াও কলকাতা শহরেও সায়গলের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি করে কীভাবে কোটি-কোটি টাকার এই সম্পত্তির মালিক হলেন সায়গল? সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত, গরুপাচার কাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী। একাধিকবার তাঁকে জেরাও করেন তদন্তকারীরা। ৯ জুন সায়গল হোসেনকে তলব করা হয়। সেদিনই দফায় দফায় জেরার পর গ্রেপ্তার করা হয় সায়গলকে। আসানসোলে সংশোধনাগারে গিয়ে সায়গলকে জেরা করেছিলেন ইডির আধিকারিকরা। তদন্তে অসহযোগিতা করছে সায়গল, সেই কারণে, জেলবন্দী সায়গলকে গ্রেফতার করে ইডি। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে। সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে তদন্ত করতে চেয়ে আবেদন করেছিল আসানসোল আদালতে। কিন্তু বিশেষ সিবিআই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। তারপরেই হাইকোর্টে মামলা করে ইডি। কিন্তু সেখানেও ধাক্কা খাওয়ার পর দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউতে পিএমএলএ আদালতে আবেদন করে ইডি। অবশেষে ইডির আরজি মঞ্জুর করে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় ইডি।

অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষীকে জেরা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। সায়গল হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। একজন সামান্য সরকারি কর্মচারীর এত সম্পত্তির উৎস কি ? তা জানতেই সায়গলকে দিল্লির সদর দফতরে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি।


More Stories
সমস্ত পুরসভার সব ধরনের পেমেন্ট স্থগিত
অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজত :শুভেন্দুর পিএ চন্দ্রনাথ খু*নে কারা গ্রেফতার, কোথায় গ্রেফতার? যোগসূত্র কী?
বন্ধ হচ্ছে না কোনও চালু প্রকল্প, আর কী জানালেন শুভেন্দু