Home » বাংলাদেশে আছড়ে পড়ল সিত্রাং,মৃত ১০

বাংলাদেশে আছড়ে পড়ল সিত্রাং,মৃত ১০

সময় কলকাতা ডেস্কঃ সোমবার মধ্যরাতে বাংলাদেশে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশু সহ মোট ৯ জনের। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির খবর মিলেছে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। সোমবার সন্ধ্যা না হতেই সিত্রাং ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বরিশাল ও চট্টগ্রাম এর মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে অতিক্রম করে। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ে উপকূলের এলাকাগুলিতেও। বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় একাধিক গ্রামে। প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়েছে একাধিক গাছ। ত্রাণশিবিরগুলিতে ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। মৃতদের পরিবার সহ ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকে দুর্বল হতে শুরু করে সিত্রাং। তবে বৃষ্টি চলছে অবিরাম। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা জলমগ্ন। যার জেরে রাজধানীতে যানজট তৈরি হয়েছে। তবে রোদের দেখাও মিলেছে। সকালের দিকে দুর্যোগ কেটে নদীগুলিতে শুরু হয়েছে নৌকা চলাচল । মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল থেকেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল মাঝারী বৃষ্টি। সঙ্গে বইছিল ঝোড়ো হাওয়া। ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছিল ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। যার কারণে নানান প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল রাজ্য। গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২০ টি এসডিআরএফ ও ১৫ টি এনডিআরএফ বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে নামখানা বেণুবনের ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কেননা জোয়ারের জল নামখানার ফেরিঘাটটিকে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল৷ সর্তকতামূলকভাবে বহু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দিঘার পর্যটকদের সমুদ্রে নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সমুদ্র সৈকতেও ছিল কড়া নজরদারি৷ পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছিল৷ সৈকতে চলছিল মাইকিংও। উপকূল এলাকার থানা এবং ব্লকগুলিতেও খোলা হয়েছিল কন্ট্রোল রুম৷ সেইসঙ্গে তৎপর ছিল নুলিয়া ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।

About Post Author