সময় কলকাতা ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ফের মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে জেরা ইডির। বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তাপস মন্ডল। একদিন পরেই সেই সুর হঠাৎ করে বদলে গেল।
বৃহস্পতিবারও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে আসেন তিনি। দফতরে ঢোকার মুখে তাপস মণ্ডল বলেন, “মানিকবাবু নয়, আমার অফিস থেকে টাকা পাঠানো হত পর্ষদে।” এই বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত তৎকালীন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যই নিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে তাঁর উপর কোনও চাপ ছিল না বলেও জানান তাপস মণ্ডল।

ঢাকা পর্ষদে যেত, মানিক ভট্টাচার্য নিতেন কিনা, তা তিনি বলতে পারবেন না। কেন নিজের বয়ান বদল করলেন তাপস মণ্ডল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ২১ কোটি টাকার হিসেবে মিলছে না বলেও দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই মামলায় এই নিয়ে পরপর দু’দিন তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি।

উল্লেখ্য, ‘কাটমানি’ বাবদ মানিকবাবুর ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের দ্বিতীয় অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল প্রায় আড়াই কোটি টাকা। টাকা দিয়েছিলেন ৪৯ হাজার ৪০০ জন। তাপস মণ্ডলের উত্তর সেই কথাকেই অনেকটাই সত্যি করে দিল। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের নজরে আসে মানিকের আত্মীয়দের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! আদালতে পেশ করা রিমান্ড অ্যাপ্লিকেশনে ইডি দাবি করেছিল, মানিক ভট্টাচার্যের আত্মীয়দের নামে বহু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তারা। মানিকের আত্মীয়র সঙ্গে যে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাতে ৮ কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। মানিকের ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের অ্যাকাউন্টে মিলেছে ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। কিন্তু এই টাকার উৎস কী, তার তদন্তে তদন্তকারী আধিকারিকরা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি