Home » অনুব্রতর জেতা লটারি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অনুব্রতর জেতা লটারি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সময় কলকাতা ডেস্কঃ চলতি বছরেই ডিয়ার লটারিতে এক কোটি টাকা জিতেছিলেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল। যা রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমত আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। এবার এই ঘটনার প্রায় দশ মাস পর অনুব্রতর জেতা সেই লটারি নিয়ে সিবিআই তদন্তে নামতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে,একবার নয়, দু’দুবার লটারির ৫১ লাখ টাকা ঢুকেছে অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের অ্যাকাউন্টে। মোট তিনটি লটারির টাকার হদিশ পেয়েছে বলে দাবি সিবিআই আধিকারিকদের। তবে লটারির এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সঙ্গে কোনওভাবে গোরুপাচার মামলার যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত,বোলপুরের ব্যবসায়ী বাপি গঙ্গোপাধ্যায়ের গাঙ্গুলি লটারি নামে একটি লটারির দোকান রয়েছে। সুত্রের খবর,সেখান থেকে ওই টিকিট কাটা হয়েছিল। কার্যত সেকারণেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১ নভেম্বর নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছিল লটারি টিকিট বিক্রেতা বাপি গঙ্গোপাধ্যায়কে। এদিন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, অনুব্রত নিজে গিয়ে কি ওই টিকিট কিনেছিলেন? নাকি কারও মারফতে কেনা হয়েছিল ওই টিকিট? কতগুলি লটারি কিনেছিলেন এবং কত টাকায় লটারি কিনেছিলেন? যদিও সিবিআই আধিকারিদের দাবি,গরু পাচারের বিশাল অঙ্কের কালো টাকা এই লটারির টিকিটের মাধ্যমেই সাদা করা হত।

চলতি বছরের জানুয়রি মাসেই ডিয়ার লটারির ওয়েব সাইটের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়। যেখানে বলা হয় মাত্র ছয় টাকায় ডিয়ার লটারিতে অনুব্রত মণ্ডল এক কোটি টাকা পেয়েছে। এরপরেই প্রশ্ন ওঠে যে,অনুব্রত মণ্ডল কি সত্যিই লটারি কেটেছিলেন? এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরুও হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা। যদিও সেসময় অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, ‘কোনোদিনই তাঁর লটারি কেনার নেশা ছিল না। তবে তাঁর গাড়ি চালক ও নিরাপত্তা রক্ষীরা প্রায়ই লটারি কিনতেন।’

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ডিয়ার লটারির দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর বিতর্ক। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির পর থেকেই সিবিআই আধিকারিকদের নজরে ছিল অনুব্রতর বিপুল সম্পত্তি। ইতিমধ্যেই তাঁর সম্পত্তি নিয়ে যাবতীয় তথ্যও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তারই মধ্যে এবার তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে অনুব্রতর জেতা সেই লটারির টিকিট।

About Post Author