সময় কলকাতা ডেস্কঃ মিষ্টি প্রেমীদের জন্য সুখবর! শীতকাল মানেই নলেন গুড়ের সময়। আর নলেন গুড়ের তৈরি জয়নগরের মোয়া ভোজনরসিক বাঙালিদের অত্যন্ত প্রিয়। এই জয়নগরের মোয়ার স্বাদ ও গন্ধ যাতে সঠিক থাকে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতে এই মোয়ার গুণগত মান বজায় থাকে, কার্যত সেই কারণে এবার অত্যাধুনিক মোয়া ল্যাবরেটরির উদ্বোধন হল জয়নগরে। জয়নগরের অন্যতম মোয়া ব্যবসায়ী ‘খোকন এন্ড সন্সের’ উদ্যোগে এই মোয়া ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করেন কলকাতার বিশিষ্ট মিষ্টি ব্যবসায়ী কে সি দাসের ডিরেক্টর তথা মিষ্টি উদ্যোগের সভাপতি ধীমান দাস। তবে শুধুমাত্র মোয়ার গুণগত মান ঠিক রাখাই নয়, যাতে ডায়াবেটিস রোগীরাও এই শীতকালীন মিষ্টির স্বাদ চেটেপুটে উপভোগ করতে পারে,তাঁদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে সুগার ফ্রি মোয়াও।
ভোজনরসিক বাঙালির কাছে জয়নগরের মোয়া এক আলাদাই মাত্রা রাখে। শীতকালে এই মোয়া অন্তত বার কয়েক চেখে না দেখলে বাঙালির বছরটাই যেন বৃথা যায়। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর এই মোয়া গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে জয়নগরের মোয়ার আসল পীঠস্থান দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর ও বহুরু এলাকায়। এই এলাকার কারিগররাই কনকচূড় ধানের খই, নলেন গুড়, খোয়া ক্ষীর, কাজু, কিসমিস ও শ্রী ঘি নির্দিষ্ট পরিমাণে দিয়ে মোয়া প্রস্তুত করেন। যা একবার খেলেই যেন মুখে লেগে থাকে।

তবে,বর্তমানে মানুষ এখন অনেকটাই স্বাস্থ্য সচেতন। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবসায়ীরা যেমন মোয়ার গুণগত মান ঠিক রাখার উদ্যোগ নিয়েছেন, তেমনই মোয়া যাতে হাইজিন মেন্টেইন করে তৈরি করা হয় সেই উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জয়নগরের জনপ্রিয় ‘খোকনের মোয়া’ প্রস্তুতকারক মা কালি সুইটস ইতিমধ্যেই ল্যাবরেটরি তৈরি করেছে। পাশাপাশি ডায়বেটিস বা সুগারে আক্রান্ত মানুষজনও যাতে এই জয়নগরের মোয়া খেতে পারেন তাঁদের জন্য সুগার ফ্রি মোয়া তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।


More Stories
সমস্ত পুরসভার সব ধরনের পেমেন্ট স্থগিত
অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজত :শুভেন্দুর পিএ চন্দ্রনাথ খু*নে কারা গ্রেফতার, কোথায় গ্রেফতার? যোগসূত্র কী?
বন্ধ হচ্ছে না কোনও চালু প্রকল্প, আর কী জানালেন শুভেন্দু