Home » কাতর মোদি, কর্তব্য অবিচল প্রধানমন্ত্রী

কাতর মোদি, কর্তব্য অবিচল প্রধানমন্ত্রী

সময় কলকাতা ডেস্ক: সার্কাসের সার্কেলে শো মাস্ট গো অন ,শব্দবন্ধ কর্তব্যের প্রতি দায়বদ্ধতাকে বোঝায়।রাজকাপুরের মেরা নাম জোকারে জীবনকে নতুন ভাবে চিনিয়েছিলেন।বাস্তবের পৃথিবী আর জীবন এমন কিছু মূহূর্তের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় যখন বলতেই হয় শো মাস্ট গো অন।৩০ শে ডিসেম্বর সকালটা বাংলার জন্য নির্দিষ্ট করছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।কিন্ত …. হ্যাঁ কিন্তুই।

বাংলার আকাশের উষার আভাস আসার আগেই ছড়িয়ে পড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি মাতৃহারা হয়েছেন। এই অবস্থায় আশঙ্কার দোলাচলে কেন্দ্র ও রাজ্যে প্রশাসন। হাওড়া ও কলকাতা মিলিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মেগা ইভেন্টগুলি কি হবে! উদ্বোধন হবে কি বন্দে ভারতের ! চাকা গড়াবে কি জোকা এসপ্ল্যানেড মেট্রোর তারাতলা থেকে জোকা অংশ-র! গঙ্গা বক্ষের ভ্রমণ না হয় বাদই দেওয়া হল। কিন্তু গঙ্গা পরিষদের বৈঠক বা কি করে হবে? হাজার প্রশ্নের মাঝেই সিদ্ধান্ত নিতে দেরী করেনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোরের আলো গায়ে মেখে পৌঁছে গিয়েছেন আহমেদাবাদে। মাতৃ বিয়োগের যন্ত্রণাকে কাঁধে তুলে নিয়ে, সব কর্তব্য পালন করেছেন তিনি। আর ভোলেননি দেশের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে নিজের কর্তব্যও।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে গুজরাট থেকে বাংলায় পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। চিতা ভস্মের সামনে দাঁড়িয়ে শপথ নিয়েছেন দেশ সেবায় নিয়োজিত মোদী। ভিডিও কনফারেন্সে একের পর এক উদ্বোধন করেছেন হাওড়া এন জিপি বন্দে ভারত, জোকা তারাতলা মেট্রো, আর যোগ দিয়েছেন গঙ্গা পরিষদের বৈঠকেও। পথ দেখিয়েছেন দেশবাসীকে কিভাবে মুখাগ্নিরও পরও নিরলস ভাবে দেশ মাতৃকার সেবা করা যায়। অনারম্ভর রেখেছেন মা হিরাবেনের শেষ যাত্রা। সুপুত্র হিসাবে মাকে কাঁধ দিয়েছেন তাঁর শেষ যাত্রায়। সেই অর্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মায়ের শেষ যাত্রা ডাকেনি, বলা ভাল আসতে বলেননি দেশ ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীদের। এক কথায় কলকাতার অনুষ্ঠানের জন্য গোবলয়ের তাবড় তাবড় নেতা বাংলায়। কোনও নেতাকেই উড়ে যেতে দেখা যায়নি গুজরাটের দিকে। বরং নেতার নির্দেশ মত একের পর এক উদ্বোধনী ও নির্দিষ্ট বৈঠক হয়েছে সূচি মেনেই। এ এক অনন্য নজির তৈরি হল প্রধানমন্ত্রীর কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়ে।

 

About Post Author