সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ জানুয়ারি : চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ বাড়ছে গোটা বিশ্বে। চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি করোনায় বিপর্যস্ত জাপান। জাপানে যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে সে দেশের মানুষের কপালে। গত কয়েকদিন ধরে জাপান থেকে একের পর এক করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর খবর আসছে।
এমতাবস্থায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিনের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার নতুন প্রজাতির যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে, সে নিয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না শি জিনপিংয়ের সরকার, এমনটাই দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। চিন ফেরত যাত্রীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ জারি হচ্ছে। ফ্রান্স, ব্রিটেনের পর চিন ফেরত যাত্রীদের কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক হল অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায়।
সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক উড়ানে আসা যাত্রীদের শুধু ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা আরটি-পিসিআর টেস্টের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তাছাড়া কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার দরকার নেই। উল্লেখ্য, এতদিন নিয়ম ছিল বাইরের দেশ থেকে চিনে ঢুকলে কোভিড টেস্টের পরে পাঁচদিন বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকারি কিছু হোম ও আইসোলেশন সেন্টারে যাত্রীদের রাখার ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু এখন সে নিয়ম তুলে নেওয়ার পরেই করোনা হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে চিনে। কিন্তু তার মধ্যেও নিয়ম কড়া করতে রাজি নয় সরকার।
তিন মাসের মধ্যেই চিনের ৬০ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত হবেন! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিখ্যাত মহামারী বিশেষজ্ঞ এরিক ফেইল-ডিং। তাঁর মতে, এই তিন মাসে চিনের লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হবে। ইতিমধ্যেই কোভিড হাসপাতালগুলিতে ভিড় উপচে পড়ছে। এই অবস্থা আরও খারাপ হবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, করোনাবিধি কিছুটা শিথিল হওয়ার পরই চিনে আবার ফিরছে করোনা আতঙ্ক। চিনের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,এই শীতেই করোনা নতুন করে আছড়ে পড়তে পারে।


More Stories
ভারতে করোনার কি আবার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে?
মহারাষ্ট্র : নজির গড়ে জয়ের পথে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাযুতি
ফিরেছে আতঙ্ক, করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১-এর অস্তিত্ব মিললো ৮টি নমুনায়