সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ মার্চ: মহাকাশবিজ্ঞানীদের কাছে এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হল মঙ্গলগ্রহ। এই মুহূর্তে লাল গ্রহের মাটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে কয়েকটি রোভার। পাশাপাশি এই গ্রহের গা ঘেঁষে চক্কর কাটছে আরও কয়েকটি মহাকাশযান। নাসা বা ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির এই মহাকাশযানগুলি প্রতিনিয়ত মঙ্গলগ্রহকে চক্কর কাটছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ও তথ্য পাঠাচ্ছে পৃথিবীতে।

অপরদিকে আমেরিকা ও চিনের রোভারগুলি সরাসরি মঙ্গলের মাটি, আবহাওয়া ও রাসয়নিক পরীক্ষা করে ও বিশ্লেষণ করে পৃথিবীতে তথ্য পাঠাচ্ছে। এমনই মঙ্গলগ্রহের গা ঘেঁষে ঘুরছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অরবিটার ‘রিকোয়েন্স’। আর সে মঙ্গলগ্রহের একটি অংশের ছবি তুলে পাঠিয়েছে নাসার সদর দফতরে। যা নিয়ে এখন তোলপাড় মহাকাশবিজ্ঞানী মহল।

নাসার ‘রিকোয়েন্স’ অরবিটারে রয়েছে হাই রেজোলিউশন ইমেজিং এক্সপেরিমেন্ট নামে একটি শক্তিশালী ক্যামেরা। ওই ক্যামেরার সাহায্যেই মঙ্গলগ্রহের কয়েকটি রঙিন ছবি তোলে সে। আর ওই ছবি দেখে চোখ ছানাবড়া মহাকাশ বিজ্ঞানীদের। কেন কী এমন আছে ওই ছবিগুলিতে?

ছবিতে দেখা যাচ্ছে মঙ্গলগ্রহের একটি অংশ জুড়ে রয়েছে বালির মতো বস্তুর ঢিবি। আর ওই বালির ঢিবির উপর রয়েছে নিখুঁত গোলাকৃতি ছোপ বা গর্ত। মঙ্গলের মাটিতে বালি নতুন কিছু নয়। কিন্তু বিজ্ঞানীদের ভাবাচ্ছে ওই বালির ঢিবিতে এত নিখুঁত গোলাকৃতি অংশ কীভাবে তৈরি হল? কারণ, মঙ্গলে কোনও প্রাণ নেই। তবে মঙ্গলে সামান্য হাওয়া যে বইছে সেটা জানা যায়। ফলে প্রকৃতিগতভাবেই যে ওই গর্ত বা ছোপ তৈরি হয়েছে সেটা ঠিক। কিন্তু এত নিখুঁত আকৃতি হল কেমন করে সেটাই এখন ভাবাচ্ছে মহাকাশবিজ্ঞানীদের।


More Stories
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
বালাসাহেব-উদ্ধব ও একনাথই কি যথাক্রমে মমতা – অভিষেক ও ঋতব্রত?
নেতা নয় নায়ক, যমের অরুচি, ঋতব্রতকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ শতরূপের