সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ মার্চ: একুশের বিধানসভায় শূন্য বামফ্রন্ট। তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনের আগেই আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে উদ্যেগী হল। সাগরদিঘী উপনির্বাচনে মানুষের জোট সাফল্য এনে দিয়েছে বাম-কংগ্রেসের ঝুলিতে। এবার আলিমুদ্দিন ধরল ৭০-এর দশকের পুরানো আন্দোলনের পথ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এবার ‘ঝটিকা বাহিনি’ তৈরি করে ময়দানে নামতে চলেছে আলিমুদ্দিন। বামেদের দাবি, ইতিমধ্যেই “পাহারায় পাবলিক” কর্মসূচি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গ্রাম বাংলা ছাড়াও শহর ও শহরতলী থেকে প্রায় প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে ফোন করছেন “পাহারায় পাবলিক” টোল ফ্রি নম্বরে। ফলে উৎসাহী বাম নেতৃত্ব এবার গরিলা আন্দোলনের পথে হাঁটতে চলেছে।

‘ঝটিকা বাহিনী’ কী?
কোনও কর্মসূচিতে প্রশাসনের তরফে অনুমতি মিলুক বা না মিলুক, কিছুটা গেরিলা পন্থা অবলম্বন করে এবার পথে নামবে আলিমুদ্দিনের ছাত্র ও যুব সংগঠনগুলি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পার্টি কংগ্রেস থেকেই দলে ছাত্র ও যুবদের প্রাধান্য বেড়েছে অনেকটাই। এই মুহূর্তে রাজ্য কমিটিতে এক ঝাঁক তরুণ মুখ। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম দাবি করেছেন, গ্রামে গঞ্জে মিছিল-জাঠা সবগুলিই সফল হয়েছে। মানুষের ভাল সাড়াও মিলছে। সিপিএম নেতা রবীন দেব জানিয়েছেন, গতবারের মতো এ বারের নির্বাচনে শাসকদলকে ফাঁকা মাঠে ছাড়া হবে না। আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামবে পার্টি।

তিনি আরও বলেন, বিরাট জমায়েতের অপেক্ষা না করে ছোট ছোট দলেই নামতে হবে। মিটিং, মিছিল থেকে শুরু করে রাস্তা অবরোধ সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে কর্মীদের। এমনই পরিকল্পনা পার্টির। এই ধরণের আন্দোলনের জন্যই ঝটিকা বাহিনী তৈরি রাখবে সিপিএম। বড় জমায়েত থেকে ছোট ছোট স্ট্রিট কর্নার মিটিং বা মিছিল সবেতেই ঝাঁজ বাড়াবে সিপিএম। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই বাহিনীকেই দেখা যাবে কেন্দ্র বা রাজ্যের বড় সমস্যার পাশাপাশি গ্রামের কোনও ছোট সমস্যা নিয়েও পথে নামতে।


More Stories
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?
অভিষেকের পরে কল্যাণ