সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ মার্চ: আমরা এখন প্রায় সকলেই স্মার্টফোন ব্যবহার করি। তাই ফোন কেনার পর দেখতে পাই বেশ কয়েকটি অ্যাপ আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। যাদের প্রি-ইনস্টলড অ্যাপ বলে। এছাড়া অন্যান্য পছন্দের অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ইনস্টল করতে হয়। এবার ভারত সরকার কড়া আইন আনতে চলেছে। যাতে বলা থাকবে এবার থেকে কোনও মোবাইলেই আগে থেকে কোনও অ্যাপ থাকবে না। সূত্রের খবর, নতুন আইন অনুসারে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে এই অ্যাপগুলির ক্ষেত্রে ইনস্টলের অপশন রাখতে হবে। নতুন মোবাইলে কোনও প্রি-ইনস্টলড অ্যাপ রাখা যাবে না। ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি বাজারে নতুন কোনও ফোন আসার আগে পরীক্ষা করবে, তারপর তা নিশ্চিত হলেই ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নতুন সিকিউরিটি রুলস জারি করতে চলেছে ভারত সরকার। যার মাধ্যমে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে কার্যত বাধ্য করা হবে মোবাইল থেকে প্রি-ইনস্টলড অ্যাপগুলি সরিয়ে দেওয়ার জন্য। সূত্রের খবর, এই অ্যাপগুলি আগে থেকে মোবাইলে ইনস্টল করা থাকলে সেগুলি গুপ্তচর বৃত্তির জন্য ব্যবহার করা সম্ভব। সেই কারণেই ভারত সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রক কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। প্রযুক্তি মন্ত্রকের দাবি, এটা জাতীয় সুরক্ষার বিষয়। এটা একটি দুর্বল সুরক্ষা ব্যবস্থা। চিন সহ কোনও শত্রুদেশ যাতে এই অ্য়াপের সুযোগ দিয়ে ঘরের কথা জেনে না যায় সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে ভারত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির মাধ্যমে গুপ্তচর বৃত্তি করতে পারে চিন। যে কারণে এর আগে ৩০০-র বেশি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। এমনকি মোবাইলে চিনা বিনিয়োগেও লাগাম টানা হয়েছে। স্যামসাং, জিওমি, ভিভো, অ্যাপেল-সহ একাধিক কোম্পানির মোবাইল ফোনে আগাম কোনও অ্যাপ যাতে ইনস্টল করা না হয় সে ব্যাপারে এবার কড়া অবস্থান নেওয়ার দিকে এগোচ্ছে ভারত। তবে এই বিষয়ে ভারত প্রথম পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এর আগে বিশ্বের একাধিক দেশে Huawei, Hikvision এর মতো চিনা সংস্থার মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে লাগাম টানা হয়েছে।


More Stories
ফোনে নেট ছাড়াই কলিং, নতুন নিয়মে কমছে খরচ
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
এয়ারটেল কি নাম পাল্টাচ্ছে?