Home » বন্ধু সতীশ কৌশিকের জন্মবার্ষিকীতে আবেগঘন অভিনেতা অনুপম খের

বন্ধু সতীশ কৌশিকের জন্মবার্ষিকীতে আবেগঘন অভিনেতা অনুপম খের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪এপ্রিল : গত মার্চ মাসেই প্রয়াত হয়েছেন  বলিউডের বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা সতীশ কৌশিক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৬ বছর।  প্রয়াত সতীশ কৌশিক একজন সফল পরিচালক ও অভিনেতা ছিলেন। তিনি আজ বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হত ৬৭ বছর। মার্চ মাসের ৯ তারিখ তাঁর মৃত্যু হয়, দেখতে দেখতে ১ মাস পার হয়ে গিয়েছে তাঁর প্রয়াণের। আর  ১৩ই এপ্রিল  প্রয়াত এই প্রযোজক ও অভিনেতার জন্মদিন ছিল। প্রবীণ পরিচালকদের মধ্যে অনবদ্য প্রতিভার কান্ডারী ছিলেন সতীশ, কিন্তু তাঁর এই সাফল্যের ইতিহাসটা একদমই সোজা ছিলো না।  অনেক সংগ্রামের পর তিনি এই জায়গাটা তৈরি করেছিলেন।

আরও পড়ুন   সৌরসেনীর জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়ে আবেগঘন পোস্ট নিখিলের

তাঁর খুব কাছের বন্ধু ছিলেন অনুপম খের। বন্ধুর বিদায় বেলায় একদম ভেঙ্গে পড়েছিলেন তিনি।  সতীশের মৃত্যুর দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারাক্রান্ত মন নিয়ে সতীশের সাথে অনেক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন অনুপম।  একইভাবে সতীশ কৌশিকের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট করে  অনুপম লিখেছেন ‘আমার প্রিয় বন্ধু সতীশ কৌশিক তোমার জন্মদিনের আন্তরিক শুভকামনা। ৪৫ বছরের বন্ধুত্বে হঠাৎ ছেদ পড়ল। তুমি নেই কী হয়েছে, আমরা  সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ সন্ধ্যায় তোমার জন্মদিন জাঁকজমকভাবে উদযাপন করার চেষ্টা করব। শশী এবং বংশিকার পাশে একটি চেয়ার খালি থাকবে। এসো বন্ধু তোমার জন্মদিন আমাদের উদযাপন করতে দেখো।’

মুম্বাইয়ে পা রাখা মাত্রই শুরু হয়েছিল সতীশ কৌশিকের  সংগ্রাম।  প্রথমে মায়ানগরীতে এসেই একটি কাপড় মিলে কাজ শুরু করেন প্রযোজক। এরপর  ১৯৭৯ সালে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিল্লি থেকে মুম্বই এসেছিলেন সতীশ কৌশিক। জনসমক্ষে  তিনি নিজেই এই সংগ্রাম যাত্রার কথা জানিয়েছেন।  তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “মুম্বই আমাকে কাজ, বন্ধু, স্ত্রী, সন্তান, ভালোবাসা, অর্থ সব দিয়েছে। লড়াই আর ব্যর্থতাও দেখেছি। তবে সব কিছুর উর্ধে যে স্বপ্ন নিয়ে মুম্বই এসেছিলাম তার থেকে অনেকটাই বেশি পেয়েছি।”

তাঁর কথায়, “মুম্বইয়ের জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে কাপড়ের মিলে কাজ করেছিলাম। এরপর আমি নাট্যশিল্পী নাদিরা বব্বরের সঙ্গে কাজের সুযোগ পাই। বেশ কয়েকটি নাটকে কাজ করেছিলাম। তাই সকালে মিলে কাজ করতাম। আর সন্ধ্যায় থিয়েটার।” একের পর এক সিনেমার মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয়কে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে গেছিলেন। তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় কিছু সিনেমা হলো মিস্টার ইন্ডিয়া, জানে ভি দো ইয়ারো, দিওয়ানা মস্তানা প্রভৃতি। তাঁর প্রত্যেকটি সিনেমায় ছিল  অত্যন্ত জনপ্রিয় ।

About Post Author