Home » জন্মদিনের আগে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেত্রী কৌশানী

জন্মদিনের আগে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেত্রী কৌশানী

সময় কলকাতা ডেস্ক,  ১৬ মে : রাত পোহালেই টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। প্রত্যেক বছর তিনি এই দিনে প্রথমে পুজো দেন এবং পরে ভক্তদের সঙ্গে বেশকিছুটা সময় কাটান। ইতিমধ্যে জন্মদিনের সবকিছুই পরিকল্পনা করে রেখেছেন অভিনেত্রী।  এদিন দক্ষিনেশ্বর মন্দিরে অভিনেত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কালার ফুল বয় মদন মিত্র এবং অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। কিছুদিন আগেও নীল ষষ্ঠীর  দিন মদন মিত্রের সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে দেখা গিয়েছিল  কৌশানি চক্রবর্তীকে। কিন্তু, সেদিন তিনি দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেননি। তাই তিনি জন্মদিনের আগেই দক্ষিণেশ্বরে পূজো দিয়ে নিলেন।

প্রত্যেক বছরই এই দিনটি কৌশানি চক্রবর্তী তাঁর বন্ধুবান্ধব, পরিবার এবং ইন্ডাস্ট্রির পরিচিতদের সঙ্গে কাটান। এই  বছর কি একইভাবে কাটাবেন না অন্য কিছু প্ল্যান আছে? সংবাদ মাধ্যমের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বছর আমি আমার জন্মদিনের শুরুটা বেলেঘাটার কাছেই একটি মন্দিরে পূজা দিয়ে  শুরু করি। যেহেতু নীলষষ্ঠীর দিন আমি দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছেও মায়ের পুজো দিতে পারিনি। তাই এই বছর জন্মদিনের শুরুটা আমি দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়েই শুরু করতে চলেছি। আর ১৭ই মে অর্থাৎ আমার জন্মদিনের দিন আমি এত ব্যস্ততায় থাকি যে ভক্তদের সঙ্গে ঠিকঠাক সময় কাটাতে পারিনা। তাই দক্ষিণেশ্বরে পূজা দেওয়ার পর সেইখানে ভক্তদের সঙ্গে আমি অনেকটা সময় কাটাব এবং নিজের হাতে প্রসাদ বিতরণ করব’।

অন্যদিকে কৌশানীর জন্মদিনে সব থেকে ব্যস্ত থাকেন  অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। প্রত্যেক বছর রাত ১২ টার সময়  অভিনেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান বনি। জানা গিয়েছে, শহরের এক নামকরা হোটেলে ১৭ তারিখ পার্টির আয়োজন করেছে বনি। জন্মদিনের উপহার হিসেবে কৌশানীকে তাঁর বাবা একটি হিরের আংটি ও অভিনেত্রী নিজেকে একজোড়া হীরের কানের উপহার দিয়েছেন। বনি তাঁকে কি দিয়েছেন জিজ্ঞাসা করতে অভিনেত্রী জানায়, ‘ বনি এখনও পর্যন্ত কি দেবে আমি জানি না, সেটা বনি জানে, ওটা ওর সারপ্রাইজ’।

আরও পড়ুন   বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের নেপথ্যে

যদিও এত আনন্দের মাঝে কৌশানী তাঁর মা কে খুব মিস করবেন বলে জানিয়েছেন। কয়েক বছর আগেই তাঁর মা মারা গিয়েছেন। মায়ের প্রসঙ্গ উঠতেই কৌশানী জানান, ‘কয়েক বছর হল মায়ের হাতের রান্না ছাড়াই আমার জন্মদিন কাটছে। এই দিনে আমি মাকে খুব মিস করি। এমনকী মা যখন অসুস্থ ছিল, তখনও মা আমার প্রিয় রান্নাগুলি নিজে হাতে রেঁধে খাওয়াতেন। আমি খুব চিংড়ি মালাইকারি ভালোবাসি। তাই এবার  আন্টি অর্থাৎ বনির মা আমার জন্য চিংড়ি মালাইকারি তৈরি করবে। তবে নিজের মাকে আমার খুব মনে পড়বে। ইতিমধ্যে সকলের শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে আমি খুব খুশি।

About Post Author