সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ জুনঃ বৃহস্পতিবারই রাজ্যের মন্ত্রী সেন্থিল বালাজিকে বরখাস্তের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবি। এরপরই এদিন চেন্নাই রাজভবন থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে গভীর রাতে ফোনে জানানো হয়, ‘রাজ্যপাল বরখাস্তের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে এই মুহূর্তে অগ্রসর হতে চান না। আচমকাই ১৮০ ডিগ্রি ভোলবদল। মন্ত্রীকে বরখাস্তের আদেশটি এখন কার্যকর করা স্থগিত রাখা হল। রাজ্যপাল আপাতত আইনি পরামর্শ চালিয়ে যাবেন।’ এদিন রাতেই মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের অফিস থেকে সংবাদমাধ্যমকে রাজভবনের বার্তার কথা জানানো হয়। যদিও রাজভবন সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি বা মৌখিক বার্তা দেয়নি।
আরও পড়ুন ছত্তিশগড়ের রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ! এবার বাঘেলের ডেপুটি ‘বিরোধী’ টিএস সিং দেও

প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী সেন্থিল বালাজিকে বরখাস্তের আদেশ জারির পর জোর বিতর্ক শুরু হয়। ভারতীয় সংবিধান রাজ্যপালকে কোনও মন্ত্রীকে বরখাস্তের ক্ষমতা দেয়নি। একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শেই তিনি মন্ত্রী অপসারণের আদেশ জারি করতে পারেন। আলোচনার প্রথমেই উঠে আসে এই বিষয়টি। এদিকে, রাজ্যপালের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করার পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। সেন্থিল বালাজি বর্তমানে দফতর বিহীন মন্ত্রী। ২০১৫-এর নিয়োগ দুর্নীতি এবং আর্থিক নয়ছয় সংক্রান্ত কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত ১৪ জুন ইডি তাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পরেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ইডির হেফাজতে থাকা অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে মন্ত্রীর বাইপাস সার্জারিও হয়।
আরও পড়ুন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন সায়নী ঘোষ

এদিকে ইডি গ্রেফতারের পরেই বালাজির হাতে থাকা বিদ্যুৎ এবং অচিরাচরিত শক্তি দপ্তরের ভার অন্য মন্ত্রীদের দেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করে মন্ত্রিসভায় রেখে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরও কেন মন্ত্রীকে বরখাস্তের আদেশ জারি করলেন তা স্পষ্ট হয়নি। যদিও রাজভবনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বালাজির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। তিনি মন্ত্রী পদে থাকলে তদন্তে প্রভাব খাটাতে পারেন। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে মন্ত্রীকে অপসারণ করা হল। কিন্তু রাজ্যপালের এই ক্ষমতা নেই বলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে বিজ্ঞপ্তি জারির পর।


More Stories
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?
অভিষেকের পরে কল্যাণ