সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ আগস্ট: ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড খড়গপুরে। সোমবার সাত সকালে বিধ্বংসী আগুন লাগে খড়গপুরের মালঞ্চ রোডের কাছের একটি বিস্কুটের কারখানায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে হঠাৎই আগুন লাগে মালঞ্চ রোড এলাকার ওই বিস্কুটের কারখানায়। ওই কারখানায় প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া দেখে আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

জানা গিয়েছে,ওই বিস্কুট কারখানার পাশেই একটি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এরপর স্থানীয়দের তরফেই খবর যায় দমকলে। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট যে এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায় স্থানীয়রাই। প্রায় কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা।
আরও পড়ুন কিডনির অসুখ নিয়ে অসম লড়াই, বঙ্গের এক অসহায় দুর্গার নাম অজন্তী হাজরা

স্থানীয় কর্মীরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, বিস্কুট ফ্যাক্টরির চিমনির পাশে থাকা জিনিসপত্রে প্রথমে আগুন লাগে। সেখান থেকে এই আগুন কারখানার ভেতরে ছড়িয়ে গিয়েছে। তবে দমকলকর্মীদের প্রাথমিক ভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা গোপাল খাটুয়া বলেন, ‘কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি চিমনির পাশে থাকা বস্তা ও অন্যান্য সামগ্রীতে আগুন লেগে এই বিপত্তি ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটো ইঞ্জিন আনা হয়েছিল। পরে আরও চারটে ইঞ্জিন মেদিনীপুর থেকে আসে।’


More Stories
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?
বিজেপি ইতিহাস জানে না, ভারতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে : কাকলি ঘোষ দস্তিদার
জাল লটারির ব্যবসা, অভিযোগ দায়ের