সুজয় ভট্টাচার্য ও দীপ সেন, সময় কলকাতা: আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বলেছিলেন ‘বইয়ের মত এত বিশ্বস্ত বন্ধু আর নেই।’ আর বইয়ের সঙ্গে ঘর করেন পুস্তক প্রেমীরা। কালনার পুস্তক প্রেমীরা সৌভাগ্যবান।বইমেলার সুবাদে বিগত ৬দিন তাঁরা ঘর করলেন বইয়ের সঙ্গে। শুক্রবার এবারের মত সমাপ্তি সংগীত বাজল কালনা বইমেলায়। তৃতীয় কালনা বইমেলা শেষ হয়েও রয়ে গিয়েছে তার রেশ।

কালনার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের কোল্ড স্টোরেজের মাঠে বইমেলার তৃতীয় বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল গত রবিবার বিকেলে । তারপর থেকে ছটা দিন কেটেছে বইয়ের নিবিড় সান্নিধ্যে। কালনার শিক্ষক মহল, ছাত্র- যুব থেকে প্রবীণ নাগরিক বইপ্রেমী মানুষদের উদ্যোগে এ বছর তৃতীয় বর্ষে বইমেলা উদযাপন হয়েছে । এবছর বইমেলায় ছিল বিভিন্ন প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতার মোট ৭২ টি স্টল । উদ্যোক্তাদের মূল বক্তব্য আধুনিক সময় বই থেকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলছে যুবসমাজ, অনেকেই এখন শিশুরা মোবাইলে মগ্ন, শিশু থেকে যুব সমাজ বইপ্রেমী হয়ে উঠুক এই উদ্দেশ্যেই বইমেলার আয়োজন বলে জানিয়েছিলেন বইমেলার প্রধান কনভেনর সুব্রত পাল। এদিনের এই উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, সাহিত্যিক দেবারতি মুখোপাধ্যায়, খ্যাতনামা কবি সুবোধ সরকার সহ বিভিন্ন বিশিষ্টজনেরা।

আগের দুটো বছরের মত এ বছরও বইয়ের সান্নিধ্যে মশগুল হয়ে থাকলেন পুস্তক প্রেমীরা। বই ভালবাসার দিন সারাবছর, আর কালনা বইমেলা উপলক্ষ্যে কালনার মানুষদের কাছে প্রায় এক সপ্তাহ কাল ছিল অসংখ্য পুস্তক চয়ন ও বইয়ের সান্নিধ্যে থাকার সময়, যে সময় শেষ হওয়ার পরে রেশ কাটছে না ভালোলাগার। তবুও বিষাদ, আবার একটি বছরের প্রতীক্ষার প্রহর এখন ।


More Stories
বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভালোবাসায় মুগ্ধতার বিশেষ প্রয়াস
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন