সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ জুন : তখন সবে দেশের স্বাধীনতা হয়েছে। স্বাধীনতার কয়েক মাস পরেই ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নাথুরাম গডসের গুলিতে প্রাণ হারান মহাত্মা গান্ধী। জাতির জনকের প্রয়াণের মাসখানেকের মধ্যে বারাসাতে গড়ে ওঠে এক স্কুল যার খ্যাতি কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মহাত্মা গান্ধীর নামের সঙ্গে মিল রেখে স্কুলটির নামকরণ করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি যে স্কুলের পথচলা শুরু হয়েছিল দেখতে দেখতে সেই স্কুলের প্লাটিনাম জুবিলি অর্থাৎ ৭৫ বছরের উৎসব পালিত হচ্ছে, ঐতিহ্যের স্মরণ যার মূলকথা । ঐতিহ্য আর উৎসব মিশে গিয়েছে বারাসাতের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল।
বলাই বাহুল্য বারাসাতের মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুলের ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। কারণ শহর ও জেলা ছাড়িয়ে রাজ্যে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেমন সুনাম রয়েছে, তেমনই বহু কৃতি ছাত্র এখান থেকে উত্তীর্ণ হয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে অবদান রেখেছেন । স্কুলের বয়স দেখতে দেখতে ৭৫ বছর হয়েছে আর তার কথা মাথায় রেখেই এই স্কুলের মিলনমেলায় উপস্থিত দীর্ঘদিনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ শিক্ষক ছাত্র ও শিক্ষকরা। এই বিদ্যাপীঠে কালে-কালে বহু জ্ঞানী,গুণী মানুষের সমাগম হলেও বহু শিক্ষক ও ছাত্রকে কালের নিয়মে হারাতে হয়েছে যাদের অবদানে সমাজ উপকৃত। ঐতিহ্যের স্মরণ তাই পেয়েছে অন্য মাত্রা।

সময় এগিয়ে চলেছে। প্রযুক্তির যুগে বিভিন্ন নতুন দিশা দেখিয়েছে বারাসাত মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল।বর্তমান প্রজন্মের ও অতীতের মিলন মেলা উৎসবের আকার নিয়েছে । মিলন উৎসব চার দিনব্যাপী । চারদিন ধরে চলা এই মহোৎসব যেন সমাজের প্রতি উৎসর্গীকৃত এক ঝাঁক মানুষের মেলবন্ধন।।


More Stories
পার্টি অফিস খুলতে বামেদের বাধা কাটছে না
কাকলি ঘোষ দস্তিদার কেন বিস্ফোরক? তাঁর বক্তব্যে কোন ইঙ্গিত?
কীভাবে ও কেন খু*ন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে?