Home » বিহারে ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণ আইন বাতিলের নির্দেশই বহাল, সুপ্রিম কোর্টেও সুরাহা মিলল না নীতীশ কুমারের

বিহারে ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণ আইন বাতিলের নির্দেশই বহাল, সুপ্রিম কোর্টেও সুরাহা মিলল না নীতীশ কুমারের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ জুলাই: সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও মিলল না সুরাহা। বিহারে ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণ আইন বাতিল করার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল বিহার সরকার। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে পাটনা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তফসিলি জাতি এবং উপজাতি, অনগ্রসর জাতি এবং অতি অনগ্রসর জাতির জন্য ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাব করেন। যা ১৯৯২ সালে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের সীমা লঙ্ঘন করে। সেই প্রস্তাব বিধানসভায় পাশও হয়ে যায়।

আরও পড়ুন পাতুরি কিংবা রোস্ট নয়, স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন ধনেপাতা ভেটকি

নীতীশ সরকারের দাবি ছিল, আর্থ-সামাজিক বৈষম্য থেকে রক্ষা করতে সরকারি চাকরি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের পরিমাণ ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সংরক্ষণকে বেআইনি বলে মন্তব্য করে গত ২০ জুন পাটনা হাইকোর্ট ওই আইন বাতিলের নির্দেশ দেয়। এমনকী এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পাটনা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। জুন মাসে এই মামলার রায়ে পাটনা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সংরক্ষণ শীর্ষ আদালতের নির্দিষ্ট সময়সীমা লঙ্ঘন করেছে। ফলে এটি শুধু সংবিধান বিরুদ্ধ নয়, সকলের জন্য সমানাধিকারের পরিপন্থী। এরপরই জানানো হয়, কোনও অবস্থাতেই ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের সীমা লঙ্ঘন করতে পারে না রাজ্য। পাটনা হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় বিহার সরকার। তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশের উপর এখনই কোনও স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট।

কিছুদিন আগে বিহারের জন্য বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা চেয়েছিলেন নীতীশ কুমার। কিন্তু তাঁর সেই আর্জি পত্রপাট খারিজ করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। স্পষ্ট জানানো হয়, বেশ কিছু শর্তে অতীতে একাধিক রাজ্যকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিহার সেই সব শর্তের আওতায় পড়েনি। তাই এই আর্জি মানা সম্ভব নয়। তবে বাজেটে বিহারে চারটি এক্সপ্রেসওয়ে এবং সেতু গঠনে ২৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব আনা হয়েছে। এছাড়াও বিহারের পর্যটন ও বন্যা প্রতিরোধে একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে।

#Latestbengalinews

About Post Author