Home » আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির পর এবার CBI-র মামলাতেও জামিন পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির পর এবার CBI-র মামলাতেও জামিন পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ সেপ্টেম্বর: আবগারি দুর্নীতি মামলায় কিছুটা স্বস্তিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবার সকালে দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতির সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জামিন মঞ্জুর করেছে। এর আগে আবগারি দুর্নীতি মানলে CBI – র গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কেজরিওয়াল। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা যায়। শুক্রবার সেই মামলার রায় ঘোষণা হল। তবে জামিন পেলেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে কেজরিওয়ালকে। এদিন সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জেল থেকে বেরোনোর পর তিনি কোন ফাইলে সই করতে পারবেন না। এমনকী নিজের দফতরেও যেতে পারবেন না তিনি। এছাড়া প্রকাশ্যে এই সংক্রান্ত কোন মন্তব্য করতে পারবেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন   আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে CBI-র হানা

এদিকে, আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ৯ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। দীর্ঘ ১৮ মাস জেলবন্দি থাকার পর তাঁকে জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। জামিন দিয়ে শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, দিনের পর দিন সিসোদিয়াকে জেলে আটকে রাখাটা তাঁর নৈতিক অধিকারের বিরোধী। তবে জামিন দিলেও মণীশ সিসোদিয়াকে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবার তদন্তকারী অফিসারের কাছে রিপোর্ট করতে হবে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীকে। পাসপোর্টও জমা রাখতে হবে সিসোদিয়াকে। একইসঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাবে না। এদিকে, সিসোদিয়ার জামিনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দলের সাংসদ সঞ্জয় সিং বলেন, কেন্দ্রের স্বৈরাচারী সরকারকে এটা যোগ্য জবাব। দীর্ঘদিন ধরে জেলে বন্দি থাকার পরে সিসোদিয়া মুক্তি পেয়েছেন। একইভাবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালও মুক্তি পাবেন বলেই আশাবাদী তিনি।


প্রসঙ্গত, গত বছর ৩০ মে দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় মণীশ সিসোদিয়ার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। এরপর, ফের জামিনের আবেদন করে দিল্লি হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া। সেই সময়ও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। আবগারি দুর্নীতি সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল হাইকোর্ট। উল্লেখ্য,গত বছরই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এরপরই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার নির্দেশেই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডি ও সিবিআই। কারণ, আবগারী বা মদ বিক্রি নীতিতে মূল অভিযোগই ছিল বেআইনিভাবে পথে অর্থ উপার্জন। ইতিমধ্যেই সিবিআই এই মামলার চার্জশিটও পেশ করে। সিবিআইয়ের ওই চার্জ শিটে মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম ছিল। ১১ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। মনীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছিল, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছিল।

#Liquorcorruptioncase 
#Latestbengalinews  
#ArvindKejriwal  
#DelhiHighCourt 

About Post Author