Home » Jadavpur University: বিতর্কের আবহেই এবার ‘ন্যাক’ মূল্যায়নে নম্বর কমে গেল যাদবপুরের

Jadavpur University: বিতর্কের আবহেই এবার ‘ন্যাক’ মূল্যায়নে নম্বর কমে গেল যাদবপুরের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ সেপ্টেম্বর: ‘ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ বা ‘ন্যাক’  মূল্যায়নে ‘এ+’ গ্রেড পেয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আগের বারের তুলনায় প্রাপ্ত নম্বর কমে গেল যাদবপুরের। এবছর যাদবপুরের সিজিপিএ ৩.৪৬। যা গতবার ছিল ৩.৬৮। অর্থ্যাৎ সিজিপিএ কমে গিয়েছে ০.২২। ন্যাকের বিচারে এবার পঠনপাঠন ও গবেষণায় যাদবপুর ভাল নম্বর পেয়েছে। তবে এক জায়গায় ব্যর্থ হয়েছে দেশ ব্যাপী ক্রমতালিকার নবম স্থানে থাকা যাদবপুর। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা এখন কী কাজ করছেন করছেন? সে ব্যাপারে সব নথি চেয়েছিল ন্যাকের কর্তারা। যা পর্যাপ্ত পরিমাণে দিতে পারেনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। তাই ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট অ্যান্ড প্রোগ্রেশন’-এর ক্ষেত্রে নম্বর তুলনায় কম এসেছে।

আরও পড়ুন   ‘শীঘ্রই কলকাতায় তৈরি হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট’, মার্কিন সফরে গিয়ে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনায় মোদি

সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ন্যাকের একটি প্রতিনিধিদল যাদবপুর ক্যাম্পাসে এসেছিল। সেদিন তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি-র কাঠামো ও বিভাগভিত্তিক পরিমান শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। কীভাবে এত অল্প খরচে বিশ্ববিদ্যালয় পঠনপাঠন প্রক্রিয়া চালাচ্ছে তাই নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছিলেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় অবশ্য বলেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের যে খারাপ আর্থিক অবস্থা, সে কথা বিবেচনা করলে এ বার এই ফল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক।” যোগ করেছেন, “নম্বর কমেছে কারণ, শিক্ষকদের কনফারেন্সে যোগদানের জন্য এবং গবেষণা শুরু করার জন্য টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।”

এখন ন্যাকের নম্বর দেওয়ার পদ্ধতিতে অনেক বদল এসেছে। আগে ‘ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ -এর নিজস্ব প্রতিনিধিদল ক্যাম্পাস এসে পরিদর্শন করে সব মূল্যায়ন করে যেত। এবছরও ক্যাম্পাস পরিদর্শন করতে এসেছে ন্যাকের প্রতিনিধিরা, তবে তার উপর নির্ভর করে নম্বর দেওয়া হয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। যেখানে যাদবপুর পেয়েছে ৩.৮৮ নম্বর। বাকি ৭০ শতাংশ নম্বর দেওয়ায় হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় যে তথ্য পাঠাতে পেরেছে তার উপরে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়কে ন্যাক ৩.২৫ নম্বর দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কথায় এইখানেই পিছিয়ে পড়েছে তাঁরা।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধে পর্যন্ত যাদবপুরের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগে চলেছে পড়ুয়াদের অনশন। অভিযোগ উঠেছিল ওই বিভাগের কিছু শিক্ষকরা রাজনৈতিক ভাবধারা অনুযায়ী বাছাই করা পড়ুয়াদের পরীক্ষার নম্বর দেন। পড়ুয়ারা দাবি করেছিল, মূলত বামপন্থী শিক্ষকরাই এই কারচুপি করেন। কার্যত বিভাগীয় প্রধানের তরফে এমন ঘটনা আর ভবিষ্যতে ঘটবে না, এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর অনশন ত্যাগ করেছিল পড়ুয়ারা।

#NAAC ,  #JadavpurUniversity ,  #NAACacc

About Post Author