Home » Mamata Banarjee: বীরভূমে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, হল না মমতা-অনুব্রত সাক্ষাৎ

Mamata Banarjee: বীরভূমে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, হল না মমতা-অনুব্রত সাক্ষাৎ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর: গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে ভাসছে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক এলাকা। সরকারি তৎপরতায় স্বাভাবিক জীবনধারাতে ফিরতে চেষ্টা করছে এলাকার মানুষ। এরই মধ্যে আবার ঘূর্ণাবাত ও নিম্নচাপের জেরে আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পুনরাবৃত্তির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। কার্যত ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে। ফের জলমগ্ন হতে পারে চাষের জমি, গ্রামের রাস্তা, কাঁচা বাড়ি। এবিষয়ে স্থানীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে মঙ্গলবার বীরভূমে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বোলপুরে জেলাশাসকের দপ্তরে প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি বলেছেন, “বিধায়ক তহবিলের টাকায় গ্রামীণ রাস্তা মেরামত ও তৈরির কাজ হবে।” যোগ করেছেন, “আবার বৃষ্টি হলে যে ক্ষতির সম্মুখীন হবে সাধারণ মানুষ, তাও মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে স্থানীয় বিধায়কদের।”

আরও পড়ুন: বিচারের বাণী: ইন্ডিয়া’স ডটার – নির্ভয়া

গত দুদিন ধরেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা গুলি খতিয়ে দেখতে জেলা সফর করছেন মুখমন্ত্রী। মঙ্গলবার তার শেষ দিনে বীরভূমে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। জেলার বহু এলাকায় এই মুহূর্তে বন্যা পরিস্থিতি। জলমগ্নদের তালিকায় রয়েছে লাভপুর, সাঁইথিয়া, রামপুরহাট-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বন্যা মোকাবিলায় এদিন জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠক করলেন মমতা। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আবারও বন্যার জন্য ডিভিসি-কেই দুষেছেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা “ডিভিসি জল ছেড়েছে বলেই এত মানুষ মরছে!”  সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বন্যায় ক্ষতি হওয়া পথঘাট, চাষের জমি পুনরুদ্ধারের জন্য কী কী পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। ভেঙে পড়া স্কুলবাড়ির সংস্কার হবে। ত্রাণশিবিরে বন্যা কবলিতদের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে আলাদা করে শুকনো খাবারের প্যাকেট বিলি করা হচ্ছে। এছাড়াও এক বড় ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, যে সমস্ত বাড়িগুলি ভেঙে পড়েছে তার প্রত্যেকটি পুনরুদ্ধার করা হবে। গোটা রাজব্যাপি ১১ লক্ষ্য বাড়ির টাকা দেবে রাজ্য সরকার। বন্যা দুর্গতদের আক্যাউন্টে এ বছর নভেম্বর মাস থেকেই কিস্তিতে ঢুকবে সেই অর্থ।

আরও পড়ুন: Anubrata Mondal: দু’বছর পর নিচুপট্টির বাড়িতে ফিরে কেঁদে ফেললেন অনুব্রত

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের দিনই বাড়ি ফিরেছেন অনুব্রত। দীর্ঘ দু’বছর গরু পাচার মামলায় জেল খাটার পর জামিনে বাইরে এসেছেন তিনি। কার্যত মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রিয় পাত্র কেষ্টর সঙ্গে ফেরার পথে দেখা করতে পারেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। যদিও তেমন কিছুই হল না। বৈঠক সেরে অনুব্রতর সঙ্গে দেখা না করেই বীরভূম ছেড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  

About Post Author