সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ অক্টোবর: ভোটের প্রচার শুরুর থেকেই কংগ্রেস নেতাদের বারবার বলতে শোনা গিয়েছিল হরিয়ানা নির্বাচন নিয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী। জাঠ নেতা ভুভেন্দ্র সিং হুডা, দলিত নেত্রী শৈজলার সঙ্গে মিলে কংগ্রেস কার্যত দাবি করেছিল তাঁরা নিশ্চিত জয় পাবে হরিয়ানার। বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে শুধু প্রহর গুনছিল তাঁরা। রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমগুলির সিংহভাগ তাঁদের এক্সিট পোলেও এগিয়ে রেখেছিল কংগ্রেসকেই। সেই অনুযায়ী সকালের দিকে বেশ কয়েক রাউন্ড গণনায় এগিয়েও ছিল হাত শিবির। তবে বেলা গড়াতেই বুমেরাং। লাফিয়ে লাফিয়ে এগোতে শুরু করে বিজেপি। সকালে যে পরিসংখ্যান ছিল বিজেপি(১০) এবং কংগ্রেস(৭৫) আসন, বিকেল পাঁচটায় তা গিয়ে দাঁড়ায় বিজেপি(৫১) এবং কংগ্রেস (৩৪) আসনে।

আরও পড়ুনঃ Sarfaraz Khan: ইরানি ট্রফি জয়ের নায়ককে বাদ দিয়েই রঞ্জি ট্রফির প্রথম দুম্যাচের দলঘোষণা মুম্বইয়ের
বিকেলের পর যেমনটা ভাবা হয়েছিল সেই আশঙ্কায় পড়ল ঘৃতাহুতি। সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জনের পথে অগ্রসর বিজেপি। আনুমানিক কিছু সময়ের মধ্যেই ফের সরকার গড়ার আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র পেয়েও যাবে তাঁরা। ৯০ আসনের হরিয়ানা নির্বাচনে ম্যাজিক ফিগার ছিল ৪৬। সেখানে দাঁড়িয়ে এখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধে, সূর্যের সঙ্গে অস্তাচলে কংগ্রেসের সরকার গঠনের স্বপ্ন। এই হুমূর্তে ভোটের ফল বিজেপি(৪৮) এবং কংগ্রেস(৩৭)। টক্করের প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুললেও জয় যে বিজেপির নিশ্চিত তা বোঝাই যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কল্কা, রাদাউর, লাডওয়া, পুন্ডরি, নিলোঘখেরি, ঘরাউন্ডা, ইসরানা, সামালখা, রাই, খরখউদা, সোনিপত, গোহানা, সফিদন, জিন্দ, নারওয়ানা, হংসী, বরওয়ালা, নলওয়া, দাদরি, ভিওয়ানি, তোষম, বাওয়ানি খেরা, পাতাউদি, বাদশাপুর, গুরুগ্রামের মত আসনগুলিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি।
হরিয়ানায় কংগ্রেসের এই যবনিকা পতনের জন্য দলের নেতাদের মাত্রাতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসকেই দায়ী করেছেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর কথায়, “শুধু আত্মবিশ্বাস দিয়ে নির্বাচন জেতা যায় না। প্রিতিটি আসন, প্রিতিটি কেন্দ্রেই জেতা কঠিন, তাই একাগ্রতার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত লড়তে হয়।”


More Stories
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
বালাসাহেব-উদ্ধব ও একনাথই কি যথাক্রমে মমতা – অভিষেক ও ঋতব্রত?
নেতা নয় নায়ক, যমের অরুচি, ঋতব্রতকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ শতরূপের