সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ অক্টোবর: গতকাল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আজ অনশন প্রত্যাহার করেছে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি তাঁদের। আরজি কর কাণ্ডের পর সিবিআইয়ের তদন্তে প্রাক্তন অধক্ষ সন্দীপের নামে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার সেই একগুচ্ছ দুর্নীতির বিস্তারিত তথ্য মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের অভিযোগ এই সমস্ত দুর্নীতির কথা জানত স্বাস্থ্য দপ্তর, তার সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে চুপ ছিল স্বাস্থ্য দপ্তর।

অভয়া কাণ্ডে দু’দিনের মাথায় ঘটনার তদন্তভার নেয় সিবিআই। তারপরেই আরজি কর হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চলা একেরপর এক দুর্নীতির ঘটনার তথ্য পায় গয়েন্দারা। যার মধ্যে আর্থিক দুর্নীতি, মৃতদেহ দুর্নীতি রয়েছে। সিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী এই সবের দায় বর্তায় প্রাক্তন অধক্ষ সন্দীপের ওপর। টেন্ডারে অনিয়ম, যন্ত্রপাতি কেনা থেকে পার্কিং, সর্বত্র কাটমানি নেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ করেন উঠে আসে তাঁর বিরুদ্ধে। জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, এই সবের খবর ছিল স্বাস্থ্য সচিবের কাছে। প্রমাণ হিসেবে সোমবার নবান্নে এই সংক্রান্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ১৩৭ পাতার এই নথির প্রতি পৃষ্ঠায় বর্ণনা করা হয়েছে সমগ্র বিষয়টি।
গতকাল বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিবকে অপসারণ দুরস্ত, চিকিৎসকদের তাঁকে শুধুমাত্র অভিযুক্ত বলারও বিরোধিতা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার যুক্তি, “অভিযোগ প্রমান না হওয়া পর্যন্ত আইনত ভাবেও কাউকে অভিযুক্ত বলা যায় না।” যদিও এই কথার প্রত্যুত্তর দিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের এক প্রতিনিধি। তাঁর বক্তব্য, “অভিযোগ উঠলেই সে অভিযুক্ত, অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে গেলে তখন সে দোষী। কার্যত নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে আপাতত অভিযুক্ত বলা ভুল বলে আমরা মনে করছি না।” এরপর বৈঠক থেকে ফিরে পরের দিনই অনশন তুললেও মমতাকে ১৩৭ পৃষ্ঠার নথি পেশ করল জুনিয়র চিকিৎসকেরা।


More Stories
স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, সঙ্গে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনী
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন