Home » মনখারাপের দিন : কাটোয়ার মুহুরীবাড়ির মা জগদ্ধাত্রী নিরঞ্জন

মনখারাপের দিন : কাটোয়ার মুহুরীবাড়ির মা জগদ্ধাত্রী নিরঞ্জন

সুজয় ভট্টাচার্য, সঞ্জিতা মজুমদার ও অর্পণ ঘোষ,সময় কলকাতা, ১১ নভেম্বর : “ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ, ঠাকুর যাবে বিসর্জন “-  অবশেষে কাটোয়া সিদ্ধেশ্বরী তলার  মুহুরী বাড়ি তথাকথিত ৩৫৯ বছরের জগদ্ধাত্রী পুজোর সমাপন। নিরঞ্জনের উদ্দেশ্যে যাত্রা, চোখে জল বনেদি বাড়ির সদস্যদের। সপ্তমী থেকে নবমীর আনন্দের অবসান। আরও একটি বছরের সাগ্রহে প্রতীক্ষা। কাটোয়ার মুহুরীবাড়ির মা জগদ্ধাত্রী -র নিরঞ্জনে যেন ভারী হয়ে উঠেছে বনেদি বাড়ির চৌহদ্দি।

মুহুরী বাড়ীর পুজোর উদ্বোধন হয়েছিল বাংলার নবাব আলীবর্দী খার আমলে। ঐতিহাসিকভাবে যদি ধরা হয়, পুজো পত্তনকারী  মুহুরী বাড়ির বর্তমান প্রজন্মের  পূর্বপুরুষের আমল থেকে এখানের জগদ্ধাত্রী পুজো হয়ে আসছে  তাহলে কালের ও সময়ের হিসাবে এই পুজোর বয়স প্রায় তিনশো বছর। আলীবর্দী খাঁ বাংলা নবাব ছিলেন  ১৭৪০ থেকে ১৭৫৬ সাল পর্যন্ত। সেসময় নবাবের দরবারে মুহুরী ছিলেন কাটোয়ার বর্তমান প্রজন্মের পূর্বপুরুষ। সেই থেকে চলে আসছে পুজো। এ বছরও পুজো হল মহা ধুমধামে। সোমবার দশমীর বিসর্জন।

কাটোয়া মুহুরি বাড়ির মা জগদ্ধাত্রী নিরঞ্জনের অশ্রুসিক্ত পথে রওয়ানা দিলেন। বাড়ির সামনে সাত পাক ঘুরিয়ে, বেহারার কাঁধে চেপে  ভাগীরথী নদীতে লীন মুহুরী বাড়ির প্রতিমা। মা জগদ্ধাত্রী রেশ থেকে যাবে আরও এক বছর, মৃন্ময়ী রূপে মায়ের ফেরার আর্তি ও ব্যাকুলতা মুহুরী বাড়ির প্রতিটি  সদস্যের।  সোমবার বনেদিবাড়ি ছাড়িয়ে নিরঞ্জনের মনখারাপ ও বিষাদ কাটোয়ার হাওয়াকে করে তুলেছে ভারী ।।

কাটোয়ার মুহুরীবাড়ির মা জগদ্ধাত্রী #কাটোয়ার মুহুরীবাড়ির মা জগদ্ধাত্রী

আরও পড়ুন : OPTICAL ILLUSION: আপনার যদি পর্যবেক্ষণ শক্তি প্রখর হয়, নিচের দেওয়া ছবি দুটির মধ্যে ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করুন

About Post Author