সময় কলকাতা ডেস্ক:- বীরভূমের রামপুরহাটের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক। জঙ্গলের ভিতর থাকা পুরনো পরিত্যক্ত একটি ঘরে ওই বিস্ফোরক মজুত করে রাখা ছিল বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে জেলা এনফোর্সমেন্টের বিশাল বড় দল সেখানে হানা দেয়। ২০ হাজার ডিটোনেটর ও ১৫ হাজার জিলেটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। কী কারণে ওই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করা হয়ে ছিল? বাংলায় কি তবে বড়সড় কোনও নাশকতার ছক কষা হচ্ছে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।
জঙ্গলের ভেতরে যেই পরিত্যক্ত ঘরের এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে সেই ঘরের দেওয়ালে কালি দিয়ে সাধন কুড়ে, ভজন কুড়ে, দুটি নাম লেখা। তাঁরা কারা? এই বিস্ফোরকের সঙ্গে কি তাঁদের কোনো যোগ রয়েছে? সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করেছে তদন্তকারীরা। তদন্তে আরও বেশ কিছু নাম সামনে এসেছে। তাঁদের খোঁজও শুরু হয়েছে। এখান থেকে বিস্ফোরক ঝাড়খণ্ড হয়ে মুর্শিদাবাদে যায় বলেও জানা গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ থেকে বিস্ফোরক বাংলাদেশে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ডিএসপি-ডিইবি স্বপন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের তরফ থেকে ওই খবর দেওয়া হয়েছিল। তারপরই আঁটঘাট বেঁধে ওই জঙ্গলে অভিযান চালানো হয়।

কেন ওই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সেখানে মজুত করা ছিল? এর সঙ্গে কি নাশকতার কোনও ছক রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ওই জঙ্গল পেরোলেই প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড। সেখানে কি ওই বিস্ফোরক পাচার করা হয়? নাকি সেখান থেকেই ওই সব আনা হয়েছে? রামপুরহাটে একাধিক পাথরখাদান আছে। বেআইনিভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অনেক জায়গায় অবৈধভাবে পাথর কাটার অভিযোগও সামনে আসে। ওইসব ডিটোনেটর ও জিলেটিন স্টিক সেই কাজে ব্যবহারের জন্য বিক্রি হত বলে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। কিন্তু কারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত? কোথা থেকে ওই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এল? সেসব জানার চেষ্টা চলছে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি