সময় কলকাতা ডেস্ক:- ফের মহাকুম্ভে অগ্নিকাণ্ড। কদিন আগেই একবার আগুন লেগেছিল প্রয়াগরাজে আয়োজিত কুম্ভমেলায়। এরপরই মঙ্গলবার গভীর রাতে পদপিষ্ট হয়ে ৩০ জনের মৃত্যুর ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে দেশবাসীকে। শোকের ছায়া দেশজুড়ে। এর মধ্যেই আবারও আগুন লাগল মহাকুম্ভে। সেক্টর ২২-এ পুড়ে ছাই হল ১৫টি শিবির। তবে সময়মতো দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাওয়ায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি হঠাৎ আগুন লাগে শাস্ত্রী ব্রিজের কাছে সেক্টর ১৯ চত্বরে বেশ কয়েকটি তাঁবুতে। এই ঘটনায় পুণ্যার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও বেশিক্ষণ তা স্থায়ী হয়নি। কারণ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেলার মাঠেই থাকা দমকলের ২০টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের সাহায্য করেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। এমনকী দুর্ঘটনার কিছু পরেই ঘটনাস্থলে হাজির হন খোদ যোগী। এদিকে মঙ্গলবার রাতে আচমকাই পদপিষ্ট হয়ে মহাকুম্ভে প্রাণ হারান অন্তত ৩০ জন পুণ্যার্থী। যে ঘটনাকে ঘিরে শোকের ছায়া গোটা দেশে।
উত্তরপ্রদেশের অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের আধিকারিক প্রমোদ শর্মা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, “আমাদের কাছে তথ্য এসেছে যে ছতনাগ থানা এলাকায় আজ আগুন লেগেছিল। ১৫টি শিবির পুড়ে ছাই। দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। তবে জানা গিয়েছে ওই শিবিরগুলির জন্য প্রশাসন অনুমোতি দেয়নি”। এখন প্রশ্ন অনুমতি ছাড়া এই শিবির গুলি তৈরি হলো কার নির্দেশে?


More Stories
কুম্ভমেলা শেষ, চলছে সাফাই কর্মসূচি, এলাকার মানুষ খুশি আর্থিক পরিস্থিতি চাঙ্গা হওয়ায়
মহা কুম্ভের কৃতিত্ব কার? মহা কুম্ভের সাফল্য নিবেদনে সোমনাথ মন্দিরে পূজো দিলেন মোদি
এবার নাগা সন্ন্যাসীরা একে একে কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণ ছেড়ে যাওয়া শুরু করলেন, কেন?