সময় কলকাতা ডেস্ক:- শুক্রবার সকালে মালদার পারলালপুর হাইস্কুলে শরণার্থীদের সাথে দেখা করতে আসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তাদের বেরিয়ে যেতেই শুরু হয় বিক্ষোভ। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ করেন শরণার্থীরা। শরণার্থীদের স্কুল থেকে বাইরে আসতে না দেওয়া এবং বাইরের আত্মীয়দের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগে শুরু হয় এই বিক্ষোভ।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন শরণার্থীদের সাথে দেখা করতে এলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। ঘরছাড়ারা বলছেন, শিবিরে সারারাত ঘুমোতে পারেননি কেউ। তাদের নাকি বলা হয়েছে, জোর করে নিয়ে যাওয়া হবে তাদেরকে। তারা বলছেন, ‘কোথায় নিয়ে যাবে কে জানে! ভয়ে সারারাত কেউ ঘুমোচ্ছে না।’ তাদের অভিযোগ আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না তাদের। শিবিরের বাইরে যেতেও বাধা দিচ্ছে পুলিশ।
তাদের আরও অভিযোগ, ঘরছাড়া মানুষজন যাতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে না পারেন, তার জন্য তাদের থাকার জায়গাটা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। মূলত, এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা, ছিঁড়ে দেন ত্রিপল।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের সুতি, ধুলিয়ানে অশান্তির ঘটনায় একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছে শতাধিক বাড়ি। মাথার ছাদ হারিয়েছেন অনেকেই। অনেকে ভয়ে জেলা ছেড়ে মালদায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, এবার তাঁদের জোর করে ঘরে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মালদায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সম্ভব জৈন জানিয়েছেন, সংবাদমাধ্যমকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, তবে অনুমতি নিতে হবে, একটা নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি ক্যাম্পে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে সবাইকে।
প্রসঙ্গত, একটু একটু করে ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে মুর্শিদাবাদ। খুলছে দোকানপাট। তবে এলাকায় এখনও বিরাজ করছে চাপা ভয়। যদি দাঙ্গাবাজেরা আবার আসে! তাই ঘর ছেড়ে যাঁরা চলে গিয়েছেন, তাঁরা ঘরে ফেরার সাহস পাচ্ছেন না।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?