Home » বিদ্যালয়ে পরা যাবে না তুলসির মালা! জারি নিষেধাজ্ঞা, তুঙ্গে রাজনৈতিক তর্জা

বিদ্যালয়ে পরা যাবে না তুলসির মালা! জারি নিষেধাজ্ঞা, তুঙ্গে রাজনৈতিক তর্জা

সময় কলকাতা ডেস্ক:- এবার তুলসীর মালা পরে ঢোকা যাবে না স্কুলে। জারি হল ফতোয়া। বারাসাত নবপল্লী যোগেন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষিকা ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে এমনই অদ্ভুত ফতোয়া জারি করেছেন। অভিযোগ উঠল এমনটাই। তুঙ্গে চর্চা।

হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, তুলসী গাছের পুজো করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তুলসীর মালা পরলে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে সম্পদ আসে। এটি পরলে ধর্মীয় পাশাপাশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উপকার পাওয়া যায়। মানসিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং এর দ্বারা মনও নিয়ন্ত্রিত হয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তুলসীর অনেক উপকারিতা রয়েছে।

সাধারণত ভগবান বিষ্ণু ও কৃষ্ণের ভক্তদের তুলসী বীজের মালা পরতে দেখা যায়। সেই মতো আজও গ্রামের পাশাপাশি শহরের মানুষজনের মধ্যেও তুলসির মালা পরার অভ্যাস রয়ে গিয়েছে।

তবে এবার থেকে সেই তুলসির মালা পরে আর যাওয়া যাবে না স্কুলে। এবার এমনই এক অদ্ভুত ফতোয়া জারি করেছেন বারাসাত নবপল্লী যোগেন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষিকা ইন্দ্রানী দত্ত চক্রবর্তী তার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে। বিদ্যালয়েরই হোয়াটসআপ গ্রূপে সেই ফতোয়া-র কথা জারি করেছেন তিনি। অভিযোগ এমনটাই। ভাইরাল হয়েছে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার ফতোয়া জারি করা সেই অডিও-টি। যদিও, সেই অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সময় কলকাতা।

এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। নিন্দার ঝড় বয়ে যায় সর্বত্রই। ঘটনায় সরব হন অভিভাবকরাও।

যদিও এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার কাছে জানতে চাওয়া হলে, প্রধান শিক্ষিকা জানিয়েছেন, একদিন তিনি তুলসীর মালা মাটিতে পড়ে যেতে দেখেছেন। তুলসির মালা এমন ভাবে মাটিতে পড়ে থাকলে তা কারো পায়ে লাগতে পারে, তাই তিনি তুলসীর মালা পরে আসতে বারণ করেছেন।

এবিষয়ে, ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি তথা বারাসাত পৌরসভার সিআইসি মেম্বার
চম্পক দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বিষয়টি শুনেই প্রধান শিক্ষিকাকে ধমক দেন। তিনি বলেন কোনও অবস্থাতেই কারোর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে না স্কুল।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপিও। হিন্দু বিরোধী সরকার চলছে তোপ দেগেছেন বারাসাত বিজেপি জেলা সভাপতি। সবমিলিয়ে গোটা ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তর্জা।

About Post Author