সময় কলকাতা ডেস্ক:- রাজ্যে বকেয়া ডিএ নিয়ে ক্ষোভ অনেকদিনের। কিছুদিন আগেই সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এসবের মাঝেই সামনে এল ষষ্ঠ পে কমিশনের রিপোর্ট। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে বাধ্য নয় রাজ্য সরকার। রাজ্য তার আর্থিক ক্ষমতা অনুযায়ী ডিএ স্থির করবে। আদালতের নির্দেশ মেনে বুধবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। সেই রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই সুপারিশের তথ্য।
২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যে মহার্ঘ ভাতা বকেয়া রয়েছে, তা পঞ্চম পে কমিশনের অধীনে। এই রিপোর্ট ষষ্ঠ পে কমিশনের। এই রিপোর্টের ১৩১ নম্বর পাতার ১২.৪ পয়েন্টে বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স বা এআইসিপিআই মেনে কর্মচারীদের ডিএ’র হার নির্ধারণের বাধ্যবাধকতাও নেই রাজ্য সরকারের।
রাজ্য তার আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী ডিএ দিতে পারবে। ২৭ তারিখের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। দিনকয়েক আগে হাইকোর্ট ষষ্ঠ পে কমিশনের রিপোর্ট রাজ্যকে ১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। অনেকেরই ধারণা, সেই নির্দেশ মেনেই এই রিপোর্ট সামনে আনল নবান্ন। মোট ১৯৭ পাতার এই রিপোর্টের একটি অংশে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ’র প্রসঙ্গটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সেখানেই ১৩১ নম্বর পাতার ১২.৪ পয়েন্টে বলো হয়েছে ‘আলোচ্য বিষয়গুলি বিবেচনা করে কমিশনের সুপারিশ, রাজ্যের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী সরকার বিভিন্ন সময়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের কতটা পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে পারে।’
আরও বলা হয়েছে, এআইসিপিআই মেনে রাজ্যকে যে ডিএ দিতেই হবে, এমনটা নয়। যার অর্থ, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার রীতি রাজ্যকে অনুসরণ করতে বাধ্য করা যাবে না। যার অর্থ, ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান আগে যা ছিল, ষষ্ঠ পে কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় তা-ই প্রতিষ্ঠিত হল।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি