সময় কলকাতা ডেস্ক:- কসবা ল’ কলেজে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে। তারই প্রেক্ষিতে শনিবার পথে নামে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল যখন গড়িয়াহাটে পৌঁছয়, তখনই বাধা দেয় পুলিশ। সেই বাধা থেকেই শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি ও হট্টগোল।
বিজেপির দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিল চালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের কর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তির মাঝেই বেশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও পুলিশ আটক করা হয়।
এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গড়িয়াহাট চত্বর। তবে একদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি যখন প্রতিবাদ করছেন, ঠিক তখনই সাংবাদিক বৈঠক থেকে আরেক তথ্য তুলে ধরে তৃণমূল। কসবা কলেজের গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। মূল অভিযুক্ত হিসেবে তৃণমূল যুবনেতা মনোজিৎ মিশ্র নাম উঠে আসায় আরও বিতর্ক বেড়েছে।
সেই নেতার সঙ্গে আবার তৃণমূলের শীর্ষ একাধিক নেতার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। বিরোধী শিবির যখন বিষয়টি নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু করেছে সেই সময়ে বিজেপির এক যুবনেতার ‘কীর্তি’ দেখাল তৃণমূল। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে একটি ভিডিও ফুটেজ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস।
কুণাল ঘোষ দাবি করেন, মেদিনীপুর শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোমনাথ সাউ, যিনি বিজেপির যুবনেতা, তিনি এক জায়গায় ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়েন!
তাঁর সঙ্গে নাকি রাজ্যের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ছবি রয়েছে।
তৃণমূলের স্পষ্ট কথা, সোমনাথ সাউ ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন, তাহলে কি তাঁর সঙ্গে সুকান্তদের যোগসূত্র রয়েছে? ডাকাতির কোনও শেয়ার কি তাঁরা পেয়েছেন? অন্তত ছবি দেখে তো এইসব প্রশ্ন উঠতেই পারে। যদি এমনটা না হয়, তাহলে কসবা কাণ্ডের ক্ষেত্রেও যেভাবে তৃণমূলের নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তা সঠিক নয়।
কসবাকাণ্ডে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন নিয়েও সরব তৃণমূল।
শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে কসবার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল আগেই বলেছিল, ১২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন নিয়েছে পুলিশ। এও দাবি করা হয়েছে, পুরনো ছবি ছড়িয়ে দিয়ে বদনাম করার চেষ্টা করছে বিরোধী দলগুলি।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?