Home » ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে মামলা, ১০ জুলাই শুনানি

ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে মামলা, ১০ জুলাই শুনানি

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বছর শেষেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রথমে বিহার, তার পরে গোটা দেশে সেই কাজ হবে বলে জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে আগেই বিরোধিতা করেছিল একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দল। প্রবল বিরোধিতার মধ্যে গত শনিবার আগের সিদ্ধান্ত থেকে কিছুটা পিছিয়ে আসে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। এ বার ১০ জুলাই, সেগুলির জন্য শুনানির দিন ধার্য করল সুপ্রিম কোর্ট।

সমস্যা হল কমিশন যে নথিগুলিকে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র হিসাবে চাইছে সেই নথিগুলি জোগাড় করতে নাকি হিমশিম খেতে হচ্ছে আমজনতাকে, অন্তত বিরোধীদের এমনটাই দাবি। নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র হিসাবে মোট ১১টি নথির তালিকা দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ১১টি নথির তালিকায় রয়েছে- সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিচয়পত্র, ১ জুলাই ১৯৮৭-র আগে জারি হওয়া কোনও সরকারি নথি, জন্ম সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট, স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট, বনপালের সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট, এনআরসি অন্তর্ভুক্তি, পারিবারিক রেজিস্টার এবং জমির দলিল। বিরোধীদল গুলির দাবি অনেক ভোটারের কাছে এই ১১ নথির কোনওটিই নেই। সেইসব ভোটারদের আবার অধিকাংশই প্রান্তিক, দরিদ্র। বিরোধী দলগুলির দাবি এই সমস্ত মানুষদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতেই এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রবল বিরোধিতার মধ্যে কমিশন একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটার যদি নথি নাও দেখাতে পারেন, তাও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে সোজাসুজি বাদ দেওয়া হবে না। ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রার অফিসার স্থানীয় স্তরে তদন্ত করবেন। তাঁর যদি মনে হয় ওই ভোটার বৈধ, তাহলে সেই ভোটারের নাম বাদ যাবে না।

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী- সহ অযোগ্য ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশন। যাতে শুধুমাত্র যোগ্য ভারতীয় নাগরিকরাই ভোটানের অধিকার পান সেটা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

About Post Author