সময় কলকাতা ডেস্ক:- ভারতের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে ভারত। তারপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তোপ দেগেছে কংগ্রেস। দলের নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, হাউডি মোদি বা নমস্তে ট্রাম্প করে কী লাভ হল?
দেশের অর্থনীতির উপর আঘাত নেমে এল। পাকিস্তান-চিনের পর আমেরিকাকে ভারতের তৃতীয় শত্রু হিসাবেও চিহ্নিত করেছেন জয়রাম রামেশ। সরব কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধিও। সাফ বলেছেন, উত্তর দিতে হবে মোদি সরকারকে।
তবে মোদিকে তোপ দাগলেও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন কংগ্রেস নেতা। আসলে বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ‘মনে রাখতে হবে, ভারত আমেরিকার বন্ধু হলেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য খুবই কম। তার কারণ ভারতের শুল্ক হার খুব বেশি।
তাছাড়াও, ভারতের যুদ্ধাস্ত্রের অনেকটাই রাশিয়া থেকে কেনা। রুশ শক্তি সম্পদের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ভারত এবং চিন। বিশেষত সেই সময়ে, যখন সকলে বলা হচ্ছে রাশিয়ার উচিৎ ইউক্রেনে গণহত্যা বন্ধ হোক।
তাই ভারত এবার ২৫ শতাংশ শুল্ক দেবে। আলাদা করে রাশিয়া থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার শাস্তিও পেতে হবে ভারতকে। ১ আগস্ট থেকে নতুন শুল্কহার কার্যকর হচ্ছে।
আর এই ঘোষণা প্রকাশ্যে আসার পরেই মোদিকে তোপ দেগে জয়রাম রমেশ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের পক্ষে এই ঘোষণা একটি প্রতিবন্ধকতা। হাউডি মোদি বা নমস্তে ট্রাম্প করে তো কিছুই লাভ হল না।
উলটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৩০ বার দাবি করলেন তিনিই অপারেশন সিঁদুর থামিয়েছেন। গোটা দেশ এখনও জানতে চায়, কেন মাঝপথে থেমে গেল অপারেশন সিঁদুর?
তাহলে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব থেকে দেশ কী পেল? তবে মোদিকে তোপ দাগলেও ট্রাম্পের ‘শুল্কবাণে’র মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন রমেশ। মোদি সরকারের কাছে জবাব চেয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধিও।
বুধবারই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেন, এই নরেন্দ্র মোদি বলতো ২০১৪ এর আগের রিমোট কন্ট্রোল সরকার। তখন তো অন্তত রিমোট কন্ট্রোলটা দিল্লিতে ছিল। এখন ভারতের রিমোট কন্ট্রোলটা আমেরিকায় রাখা আছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারত কীভাবে কূটনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করে, সেই দিকেই এখন নজর কূটনৈতিক মহলের।


More Stories
বেআইনি এবং বেইমানি – “এরা মায়ের পিঠে ছুরি মারতে পারে”, নতুন কমিটি প্রসঙ্গে কুণাল
তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত মমতা, সাসপেন্ড অভিষেক
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিভেজা রাস্তায় বাস-দুর্ঘটনায় মৃত ৫