সময় কলকাতা ডেস্ক: অবশেষে লছিপুরের দিকে তাকাল স্বাস্থ্য দপ্তর। লছিপুর এক নরকের নাম শীর্ষক খবরটি সম্প্রচারিত হওয়ার পরেই টনক নড়ল পশ্চিম বর্ধমান স্বাস্থ্য দপ্তরের। লছিপুরে বিগত ২০১৮ সালের পর থেকে যৌনকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি কনডোম । ৪৭ জন যৌনকর্মী আক্রান্ত এইচআইভিতে। ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তবুও টনক নড়েনি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের।
অবশেষে বিষয়টি রাজ্য প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের সামনে আনে সময় কলকাতা। সেই খবর সম্প্রচারিত হওয়ার পরেই তড়িঘড়ি পশ্চিম বর্ধমান সি এম ও এইচ এর দপ্তর থেকে ১৭২০ পিস থাকা এমন ১৭৫ টি বাক্স এসে পৌঁছালো লছিপুরে।

কনডম বিহীন ভাবেই সঙ্গমে লিপ্ত হতে হত লছিপুরের যৌনকর্মীদের। ফলে এইচআইভির সম্ভাবনা হচ্ছিল প্রবল। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়া দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব। এই সমস্ত বিষয় নিয়েই ক্রমাগত ১১৫০ জন যৌনকর্মীর জীবন হয়ে উঠছিল নরক। এদিনের রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরে এই পদক্ষেপে স্বভাবতই খুশি লছিপুরের যৌনকর্মীরা, আর সেই সঙ্গেও খুশি দুর্বার সমিতি।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী